|

চেমার হোল্ডার

৩ মার্চ, ১৯৯৮ তারিখে বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে চলছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী। ২০১৬ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ভারতের বিপক্ষে ১০ ওভারে ১/২০ লাভ করেছিলেন। অনেকটা ভাগ্য গুণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরেছিলেন। অবেড ম্যাককয় আঘাতের কবলে পড়লে দল নির্বাচকমণ্ডলী তাঁকে স্থলাভিষিক্ত করে।

২০১৭-১৮ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস ও সেন্ট লুসিয়া জুকসের পক্ষে খেলেছেন। ১১ জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ব্রিজটাউনে বার্বাডোস বনাম গায়ানার মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। প্রথম ইনিংসে পাঁচ-উইকেট লাভসহ খেলায় আট উইকেট দখল করেন। তবে, ঐ খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। তাসত্ত্বেও অনবদ্য ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।

এরপর থেকে তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের নিয়মিত সদস্যের মর্যাদা পান। ২০১৮ সালে ইংল্যান্ড সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের পক্ষে প্রথম খেলেন। পরের মৌসুমে ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে তিনটি অনানুষ্ঠানিক টেস্টে ১৫ উইকেট পেয়েছিলেন। ২০১৯-২০ মৌসুমে ১৮.৯১ গড়ে ৩৬ উইকেট দখল করেন। দ্বিতীয় সর্বাধিক উইকেট নিয়ে বার্বাডোসের শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন।

২০২০ সাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করছেন। ২০২০-২১ মৌসুমে জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১১ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অংশ নেন। জশুয়া ডা সিলভা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। টম ল্যাথামকে বিদেয় করে নিজস্ব প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। অভিষেক টেস্ট থেকে দুই উইকেট লাভ করেন। খেলায় তিনি ২/১১০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৮* ও ১৩* রান সংগ্রহ করেছিলেন। হেনরি নিকোলসের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ১২ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

Similar Posts

  • |

    জনি লিন্ডসে

    ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯০৮ তারিখে কেপ প্রভিন্সের বার্কলি ইস্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৪০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল ও নর্থ ইস্টার্ন ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম থেকে ১৯৪৮-৪৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…

  • | |

    জাভেদ আখতার

    ২১ নভেম্বর, ১৯৪০ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘদেহের অধিকারী অফ-স্পিনার ছিলেন। ১৯৫৯-৬০ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | |

    জসপ্রীত বুমরা

    ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে গুজরাতের আহমেদাবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জসবীর সিং ও দলজিৎ বুমরা দম্পতির সন্তান। সাত বছর বয়সে পিতৃহারা হন। মাতা দলজিৎ বুমরা বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল। জুলিকা নাম্নী…

  • | |

    বিডি অ্যান্ডারসন

    ২৬ এপ্রিল, ১৮৭৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কিম্বার্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। মারকুটে ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৪-৯৫…

  • | | |

    অ্যান্ডি রবার্টস, ১৯৫১

    ২৯ জানুয়ারি, ১৯৫১ তারিখে অ্যান্টিগুয়ার আর্লিংস ভিলেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সচরাচর তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আধুনিক ফাস্ট বোলিংয়ের জনক হিসেবে পরিচিতি ঘটানো হয়ে থাকে। ছন্দোবদ্ধ দীর্ঘ দূরত্ব নিয়ে বোলিং কর্মে…

  • |

    চামু চিভাভা

    ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে মাসভিঙ্গো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ‘চাম’ ডাকনামে পরিচিতি পান। ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রালস, ম্যাশোনাল্যান্ড, ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও,…