২২ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে ত্রিনিদাদের চাগুয়ানাস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
তরুণ বয়সে পুলিশ ছিলেন। কিছু সময় আঞ্চলিক ক্রিকেটে অংশ নেন। ১৯৯৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের সদস্যরূপে খেলে সীমিত সফলতা পান। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী ছিল যে, ‘তাঁদের উপর চড়াও হও; নতুবা তোমায় কাবু করে ফেলবে।’ হুক ও কাটের উপর নির্ভর করে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ফিল্ডিংয়ে বিশ্বস্ততার পরিচয় দিতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ‘এ’ দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেছিলেন। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ২০০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। হাত ভেঙ্গে গেলে ১৯৯৯ সালের আঞ্চলিক বুস্টা কাপ প্রতিযোগিতায় তিনি তিনটিমাত্র খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তবে, শেষ চার ইনিংসের দুইটিতে অর্ধ-শতরানের সন্ধান পান।
১৯৯৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৫ মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ডেভ যোসেফ ও পেড্রো কলিন্সের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৯ ও ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। গ্লেন ম্যাকগ্রা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩১২ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়বরণ করলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ১৩ মার্চ, ১৯৯৯ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, দলীয় অধিনায়ক ব্রায়ান লারা’র অসাধারণ দ্বি-শতকের (২১৩) কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনতে সমর্থ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এক পর্যায়ে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। অতঃপর, তিন বছরের অধিক সময় দায়িত্ব পালনের পর ১৬ মে, ২০১৮ তারিখে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।
