২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ২০০৪-০৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব এবং নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ক্লাব দলে ক্রমাগত রান সংগ্রাহকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। নন্দেস্ক্রিপ্টসের পক্ষে অনেকগুলো বছর খেলে ৪০ গড়ে রান পেয়েছেন। কিন্তু, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব কমই সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০২ সালে আকস্মিকভাবে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হন।
১৯৯৮ থেকে ২০০২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে নিজ দেশে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হন। ২৬ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করেন। এ খেলায় তিনি তিন নম্বর অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২৩ বল মোকাবেলা করে মাত্র ৫ রান পেয়েছিলেন।
২০০২ সালে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। পরবর্তী সিরিজ হিসেবে ২০০২ সালে নিজ দেশে খালেদ মাসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জুলাই, ২০০২ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। জিহান মুবারক ও চামিলা গামাগে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ২১ ও ৭৮* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মাইকেল ভ্যানডর্টের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৬৮ রানে জয় পেয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।
এরপর, পুণরায় শ্রীলঙ্কার ‘এ’ দলে ফিরে যান। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ২০০৯ সালে তৃণমূল পর্যায়ে মহিলাদের প্রশিক্ষণ কর্মের সাথে নিজেকে জড়ান।
