| |

ফ্রাঙ্ক ওরেল

১ আগস্ট, ১৯২৪ তারিখে বার্বাডোসের ব্যাংক হল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম কিংবা বামহাতে স্লো বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঝারিসারিতে তিনজন অসাধারণ ব্যাটসম্যানের অন্যতম ছিলেন। যেখানে ক্লাইড ওয়ালকটএভারটন উইকস শক্তিপ্রয়োগে খেলতেন; সেখানে তিনি সময় ও দৃষ্টিনন্দন ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনায় অগ্রসর হতেন। গড়ের দিক দিয়ে নিজেকে এগিয়ে না রাখতে পারলেও অন্যান্য সকল দিক দিয়ে টু ডব্লিউ’র চেয়ে এগিয়েছিলেন। যে-কোন অধিনায়কের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন ও তাঁর বোলিং অনেকাংশেই মাঝামাঝি পর্যায়ে কার্যকর ছিল।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস ও জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৪১-৪২ মৌসুম থেকে ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। দুইজন ব্যাটসম্যানের অন্যতম হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে দুইবার পাঁচ শতাধিক রানের জুটির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন।

১৯৪৮ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বমোট ৫১ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে নিজ দেশে গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অ্যান্ডি গ্যানটিউমের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৯৭ ও ২৮* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৫ ও ০/৩০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৫০ সালে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এ সিরিজেই প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সিরিজ জয়সহ ইংল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ জয়ে সমর্থ হয়। এছাড়াও, এ সিরিজে গারফিল্ড সোবার্সের সাথে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৩৯৯ রান তুলেছিলেন।

১৯৫১-৫২ মৌসুমে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২২ ডিসেম্বর, ১৯৫১ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ২০ রানে পৌঁছানোকালে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৬ ও ২৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে আরআর লিন্ডওয়ালকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৩/৪০। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম পাঁচ-উইকেটের সন্ধান পান। খেলায় তিনি ৬/৩৮ ও ০/২৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ৬ উইকেটে জয় পেয়ে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাট হাতে নেমে ১০০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ১/২০ ও ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। অবশ্য খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

১৯৫২-৫৩ মৌসুমে নিজ দেশে বিজয় হাজারে’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৮ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অপূর্ব ব্যাটিংশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২৩৭ ও ২৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে বিনু মানকড়ের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, ০/৩১ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৬০-৬১ মৌসুম থেকে অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজটি তাঁর নাম অনুসরণে স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল ট্রফি নামে পরিচিতি পেয়ে আসছে। ১৯৬৩ সালে ক্যারিবীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান।

১৯৬১-৬২ মৌসুমে নিজ দেশে নরি কন্ট্রাক্টরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬২ তারিখে পোর্ট অব স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে সেলিম দুরানি’র বলে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরৎ যান। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৬৩ সালে ক্যারিবীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান। ৬ জুন, ১৯৬৩ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৭৪* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১২ ও ১/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১০ উইকেটে পরাভূত হলে স্বাগতিকরা সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ৪ জুলাই, ১৯৬৩ তারিখে বার্মিংহামের এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৫ ও ০/২৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ২১৭ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় চলে আসে।

একই সফরের ২২ আগস্ট, ১৯৬৩ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাভূত হলে সফরকারীরা ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে ৪৯.৪৮ গড়ে ৩৮৬০ রান তুলেন। ১৯৫১ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর স্যার আলেকজান্ডার বুস্টাম্যান্ট সরকার কর্তৃক জ্যামাইকান সিনেটে মনোনীত সদস্য হন। ১৯৬৪ সালে ক্রিকেটে অনবদ্য ভূমিকা পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ নাইটহুড পদবী লাভ করেন। এরফলে, পুরো ব্রিটিশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহে আনন্দের বন্যা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সম্মানার্থে বার্বাডোসভিত্তিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্য ফ্রাঙ্ক ওরেল হল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়াও, স্যার ক্লাইড ওয়ালকটের সাথে কেনসিংটন ওভালের একটি ছাউনি দি ওরেল, ওয়ালকট এন্ড উইকস স্ট্যান্ড নামে নামকরণ করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ভেল্ডা নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির এক কন্যা ছিল। একবার তিনি লিখেছিলেন যে, স্বীয় জন্মভূমি বার্বাডোসে বীরের অভাব রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তিনি নিজেকে দূরে রেখেছিলেন। তবে, বাস্তবিক অর্থে বার্বাডোসের প্রথম বীর হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন। তাঁর শবদেহ দেশে নিয়ে আসলে এর সত্যতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। ১৩ মার্চ, ১৯৬৭ তারিখে জ্যামাইকার মোনা এলাকায় লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪২ বছর ২২৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    সাদিরা সামারাবিক্রমা

    ৩০ আগস্ট, ১৯৯৫ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ সংস্করণের খেলায় দৃষ্টিনন্দন উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করতেন। সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে নিয়মিতভাবে দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুত রান তুলতে তৎপরতা দেখাতেন। বিদ্যালয় থেকে চলে আসা খুব স্বল্পসংখ্যক খেলোয়াড়দের…

  • | |

    রায়ান রামদাস

    ৩ জুলাই, ১৯৮৩ তারিখে গায়ানার অগল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনে অগ্রসর হতেন। ২০০০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ছোটখাটো গড়নের অধিকারী। পিতা রয় রামদাসের ন্যায় তিনিও এভারেস্ট ক্রিকেট ক্লাবের সদস্য ছিলেন। ১১ বছর বয়সে ক্লাবে যোগ…

  • | |

    টেরি অল্ডারম্যান

    ১২ জুন, ১৯৫৬ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পার্থে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। মিডিয়াম পেসার হিসেবে দৃশ্যতঃ ইংল্যান্ডের মাটিতে দূর্দমনীয় ছিলেন। সর্বদাই মৃদু হাসি নিয়ে বোলিংয়ে অগ্রসর হতেন। যতক্ষণ বোলিংয়ে অগ্রসর হতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত…

  • | | |

    জিওফ হাওয়ার্থ

    ২৯ মার্চ, ১৯৫১ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর অপর ভ্রাতা হ্যাডলি হাওয়ার্থ নিউজিল্যান্ডের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭১ থেকে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সরব ভূমিকা রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে…

  • |

    সুভাষ গুপ্তে

    ১১ ডিসেম্বর, ১৯২৯ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুম থেকে ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। আঞ্চলিক ও প্রতিনিধিত্বমূলক দলের বাইরে ভারতের অনেকগুলো ঘরোয়া দলের প্রতিনিধিত্ব…

  • |

    সৈয়দ মুশতাক আলী

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৯১৪ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী ও পরিপাটি অবস্থায় খেলতে নামতেন। ভারতের শুরুরদিকের ক্রিকেটারদের অন্যতম ছিলেন। অনেকাংশেই তিনি বলিউডের নায়কের ন্যায় ছিলেন। ক্রিজে…