২৭ এপ্রিল, ১৯৮৪ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ২০০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০০৩ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে, এ সময়ে তিনি কোনরূপ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেননি। ২০০৩ থেকে ২০১৬ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কোয়াজুলু-নাটাল ও কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ডলফিন্স দলের পক্ষে খেলেছেন।
১৭ অক্টোবর, ২০০৩ তারিখে পার্লে অনুষ্ঠিত বোল্যান্ড বনাম কোয়াজুলু-নাটালের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। অভিষেকের পর থেকেই ডলফিন্স দলের প্রধান সদস্যের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। ৩৬.৫৬ গড়ে ৩১০৮ রান তুলেছিলেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমের সুপারস্পোর্ট সিরিজে সর্বাধিক রান সংগ্রহ করেন। এরফলে, পরের বছর তাঁকে ডলফিন্স দলের অধিনায়কের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। জুলাই, ২০০৮ সালে এমার্জিং প্লেয়ার্স টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। পরের বছর তাঁকে টেস্ট দলে যুক্ত করা হয়।
২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমে নিজ দেশে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৯ মার্চ, ২০০৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। আলবি মরকেলের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। একমাত্র ইনিংসে ২০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, পল হ্যারিসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২০ রানে জয়লাভ করলে সফরকারীরা ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
