১৪ জুলাই, ১৯৯৭ তারিখে ত্রিনিদাদের সেন্ট জেমস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি, বামহাতে ব্যাটিং করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০১৬-১৭ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস ও কলেজেস এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, জ্যামাইকা তল্লাজ, ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স, ব্র্যাভো একাদশ, ইউডব্লিউআই ভাইস চ্যান্সেলর্স একাদশ, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো অনূর্ধ্ব-১৯ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন। ৭ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত ত্রিনিদাদ ও টোবাগো বনাম বার্বাডোসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০২৪ সাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান সফরে যান। ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে মুলতানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তিনি আঘাতে জর্জড়িত শামার যোসেফের স্থলাভিষিক্ত হন। তাঁর অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ আন্দ্রে কোলি মন্তব্য করেন যে, আঞ্চলিক ক্রিকেটে ক্রমাগত রান সংগ্রহসহ স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে তাঁর সফলতার প্রেক্ষিতে তাঁকে দলে যুক্ত করা হয়। খেলায় তিনি ০ ও ৩০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, জোমেল ওয়ারিকানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১২০ রানে পরাজিত হলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।
টেস্ট অভিষেকের পূর্বেই অবশ্য ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে বাসেতেরেতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে তাঁর ওডিআই অভিষেক হয়। ১০৪* রানের শতক হাঁকিয়ে অভিষেক পর্বকে স্মরণীয় করে রাখেন। এরফলে, এ ধরনের ক্রিকেটে স্বাগতিকরা তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ সফলতম রান অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।
২০২৩-২৪ মৌসুমে ঘরোয়া চার-দিনের প্রতিযোগিতায় ক্রমাগত সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন। পাঁচ খেলা থেকে দুই শতক ও একটি অর্ধ-শতক সহযোগে ৬৩.৫০ গড়ে ৫০০ রান সংগ্রহ করেন। এরফলে, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন।
