|

কৌশিক অমলিন

৭ এপ্রিল, ১৯৬৫ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। বিশ বছর বয়সে নিজ দেশে সফররত পাকিস্তান দলের বিপক্ষে সিরিজের চূড়ান্ত টেস্ট খেলার জন্যে শ্রীলঙ্কা দলের সদস্যরূপে মনোনীত করা হয়। ইংল্যান্ড ‘বি’ দলের বিপক্ষে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে ধারালো পেস সহযোগে ইন-সুইং বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেন।

১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও আটটিমাত্র ওডিইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে নিজ দেশে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২২ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে কলম্বোর পিএসএসে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। নতুন বল হাতে নিয়ে অভিষেক টেস্টে ৩/৫৯ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। মোহসিন খানজাভেদ মিয়াঁদাদকে বিদেয় করেছিলেন। তবে, অশঙ্কা গুরুসিনহা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ১-১ ব্যবধানে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। এর পূর্বে একই সফরের ৮ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে মোরাতুয়ায় ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন।

১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে রঞ্জন মাদুগালে’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে অপর টেস্টটি খেলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টটিতে শ্রীলঙ্কা দলের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছিল। ডিন জোন্সের অসাধারণ শতকে ইনিংস ও ১০৮ রানে স্বাগতিকরা জয় পায়। তবে, অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র ইনিংসে ৪/৯৭ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। এছাড়াও, ৭* ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট