৩১ মার্চ, ১৯৪৬ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গুলজার খান এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

গুটিয়ে রাখা ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন তিনি। প্রায়শঃই তিনি বিশ্বস্ত ও কার্যকর ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেন। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম থেকে ১৯৭৭-৭৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে সরব ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, পাঞ্জাব, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় ও সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে ছয়টিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে নিজ দেশে কলিন কাউড্রে’র নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। আসিফ মাসুদের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১২ ও ২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৭১ সালে ইন্তিখাব আলমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ৮ জুলাই, ১৯৭১ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ২৭ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ২৫ রানে জয় তুলে নিলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। ঐ সফরে ৪১.১৬ গড়ে ১১৫৪ রান তুলেন গড়ে দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে বেশ সফলতার স্বাক্ষর রাখলে ক্রিকেটের বৃহৎ আসরে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। ছয় টেস্টে অংশ নিয়ে তিনি মাত্র ৩৩ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলতে সমর্থ হয়েছিলেন।

১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে জামিনে মুক্তি পেয়ে খেলেন। ছাত্রনেতা ছিলেন তিনি। প্রচলিত রয়েছে যে, পাকিস্তানী ক্রিকেট কর্মকর্তারা তাঁকে ছাড়া লাহোর টেস্ট আয়োজনে সাহস পাচ্ছিলেন না।

সম্পৃক্ত পোস্ট