১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখে কুয়েত সিটিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ ও রাওয়ালপিন্ডির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কর্নওয়ালের পক্ষে খেলেছেন। বামহাতি স্পিনার হিসেবে রাউন্ড-আর্ম ডেলিভারির ভঙ্গীমায় বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন।
১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে মার্ক টেলরের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। করাচীতে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ৩২ বছর বয়সে খেলার জন্যে আমন্ত্রিত হন। তবে, দল নির্বাচকমণ্ডলী পাকিস্তান দলে তাঁর অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়ে অনেকাংশে জুয়াড়ীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ২২ অক্টোবর, ১৯৯৮ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। শহীদ আফ্রিদি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ডনে উল্লেখ করা হয় যে, ‘খেলায় তিনি কোন দ্যুতি ছড়াতে পারেননি, তাঁর চলে আসা উচিৎ।’ তাসত্ত্বেও, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪/৯১ লাভ করেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ০/৪৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান ও খেলায় একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, আমির সোহেলের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।
এক পক্ষকাল পূর্বে রাওয়ালপিন্ডির সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে দশ উইকেট লাভ করেছিলেন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় ইনিংসে ৭/৭১ পেয়েছিলেন। মাইনর কাউন্টিজ চ্যাম্পিয়নশীপে কর্নওয়াল দলের পক্ষে খেলেছিলেন। ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখে বাকিংহামশায়ারের বিপক্ষে চূড়ান্ত খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেছিলেন তিনি।
