|

কায়েস আহমদ

১৫ আগস্ট, ২০০০ তারিখে নানাগড়হর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে লেগ-স্পিন বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। আফগানিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘কামাওয়াল’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছেন। ১২ বছর বয়স থেকে ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর আফগান ক্রিকেটে বন্দ-ই-আমির ড্রাগন্স ও মিস আইনাক রিজিওন দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়াও, কেন্ট, বাল্খ লিজেন্ডস, বুস্ট ডিফেন্ডার্স, কাবুল ঈগলস, স্পিন গড় রিজিওন, স্পিন গড় টাইগার্স, বাংলা টাইগার্স, কলম্বো কিংস, পামির স্টার্স, গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স, জ্যামাইকা তল্লাজ, হোবার্ট হারিকেন্স, মেলবোর্ন স্টার্স, মুলতান সুলতান্স, কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স, গাল্ফ জায়ান্টস, রাজশাহী কিংস, মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা, সেন্ট লুসিয়া স্টার্স ও ওয়েলস ফায়ারের পক্ষে খেলেছেন।

লেগ-স্পিন, রংআন, ফ্লিপার এমনকি সিম সহযোগে বাউন্সার প্রদানে সক্ষম। টি২০ ও টি১০ ক্রিকেটে বৈশ্বিক পরিচিতি পেয়েছেন। ছন্দোবদ্ধ বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ে দক্ষতা প্রদর্শনের কারণে দ্য হান্ড্রেড প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী আসরে ওয়েলস ফায়ারের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। বিরাট কোহলিকে প্রিয় খেলোয়াড় হিসেবে মনের পর্দায় গেঁথে রেখেছেন। এছাড়াও, লর্ডসে খেলতে অধিক পছন্দ করেন। ক্রিকেটের বাইরে ফুটবলে পারদর্শী। আফগানিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণকেই বড় ধরনের স্বপ্নরূপে চিত্রিত করেছেন। বেশ উজ্জ্বীবনী শক্তির অধিকারী হিসেবে চমৎকার বোলিংয়ের পাশাপাশি দূর্দান্ত ফিল্ডিং করেন।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে কাবুলে অনুষ্ঠিত শাপিজা ক্রিকেট লীগে কাবুল ঈগলসের পক্ষে টি২০ ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ডিসেম্বর, ২০১৭ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার জন্যে তাঁকে আফগানিস্তান দলের সদস্য করা হয়। ঐ প্রতিযোগিতায় ১৪ উইকেট পান ও আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। ঐ প্রতিযোগিতায় আফগানিস্তানের খেলার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) দলের উদীয়মান তারকা হিসেবে মনোনীত করে। ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে এসিসি এমার্জিং টিমস এশিয়া কাপ খেলার উদ্দেশ্যে আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সদস্যরূপে দলে রাখা হয়।

১ মার্চ, ২০১৮ তারিখে আহমদ শাহ আবদালি ফোরডে টুর্নামেন্টে স্পিন গড় রিজিওনের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। আমানুল্লায় কাবুল রিজিওয়নের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় দশ উইকেট দখল করেন ও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারপ্রাপ্ত হন। খেলায় তাঁর দল ২৯ রানে জয় পায়। ঐ প্রতিযোগিতায় স্পিন গড় রিজিওনের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। আট খেলায় অংশ নিয়ে ৪১ ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন।

১০ জুলাই, ২০১৮ তারিখে খোস্তে অনুষ্ঠিত গাজী আমানুল্লাহ খান রিজিওন্যাল ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে স্পিন গড় রিজিওনের পক্ষে লিস্ট-এ ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। মিস আইনাক রিজিওয়নের বিপক্ষে ঐ খেলায় তিনি তিন উইকেট লাভ করেন ও ৩ রান সংগ্রহ করে দলের ২৪ রানের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। ২০১৭ সালের শাপিজা ক্রিকেট লীগে টি২০ খেলায় প্রথম অংশ নেন। ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে কাবুলে অনু্ষ্ঠিত কাবুল ঈগলসের বিদায়ী খেলায় বন্দ-ই-আমির ড্রাগন্সের বিপক্ষে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। ঐ খেলায় তাঁর দল ১৪ রানে পরাজিত হয়।

২০১৮ সালের ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লীগ শুরুর প্রাক্কালে প্রতিযোগিতার পাঁচজন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে নজরে থাকেন। ৮ খেলা থেকে ৭ উইকেট পান। সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সালে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধনী আসরে বাল্খ দলের সদস্যরূপে যুক্ত হন। ঐ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় মাত্র ১৮ রান খরচায় পাঁচ উইকেট লাভ করে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। খেলায় তাঁর দল চার উইকেটে বিজয়ী হয়। এছাড়াও, দলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। নয় খেলায় অংশ নিয়ে পনেরো উইকেট দখলের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখেন।

অক্টোবর, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের খসড়া তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হন ও রাজশাহী কিংসের পক্ষে খেলেন। ৬ খেলা থেকে ৬ উইকেট দখল করেন। ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সালের বাদ-বাকী সময়ের জন্যে বিগ ব্যাশ লীগে হোবার্ট হারিকেন্সের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। আঘাতপ্রাপ্ত টাইমল মিলসের স্থলাভিষিক্ত হন। ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে বিগ ব্যাশ লীগে হোবার্ট হারিকেন্স বনাম সিডনি সিক্সার্সের মধ্যকার খেলায় চার উইকেট পান ও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। হোবার্ট হারিকেন্সের পক্ষে ৩ খেলা থেকে ৭ উইকেট দখল করেন।

জুলাই, ২০১৯ সালে ইউরো টি২০ স্ল্যাম ক্রিকেট প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী আসরে খেলার জন্যে গ্ল্যাসগো জায়ান্টের সদস্য হন। অবশ্য, পরের মাসেই ঐ প্রতিযোগিতাটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। জুলাই, ২০২০ সালে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লীগে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স দলের সদস্য হন। অক্টোবর, ২০২০ সালে লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধনী আসরে কলম্বো কিংসের তালিকায় ছিলেন। এছাড়াও, পাকিস্তান সুপার লীগের ২০১৯ সালের আসরে মুলতান সুলতান্সের প্রতিনিধিত্ব করেন।

২০২১ সালের ভাইটালিটি ব্ল্যাস্ট প্রতিযোগিতাকে ঘিরে কেন্ট স্পিটফায়ার্সে যোগ দেন। সেন্ট লরেন্সের দ্য স্পিটফায়ার গ্রাউন্ডে গ্লুচেস্টারের বিপক্ষে প্রথম খেলেন। ২০২১ সালের কেন্টের শিরোপা বিজয়ে ১২ খেলায় অংশ নিয়ে ওভারপ্রতি মাত্র ৬.৬৫ গড়ে ১০ উইকেট দখল করেন। এ প্রতিযোগিতায় দশ বা ততোধিক খেলায় অংশগ্রহণকারী যে-কোন বোলারের ক্ষেত্রে এটি চতুর্থ সেরার মর্যাদা পায়। কোয়ার্টার ফাইনালে বার্মিংহাম বিয়ার্সের বিপক্ষে ২/১৩ ও চূড়ান্ত খেলায় সমারসেটের বিপক্ষে ২/১৯ লাভ করেন।

১৮ সেপ্টেম্বর এজবাস্টনে ২০২১ সালের ভাইটালিটি ব্ল্যাস্ট ফাইনালস ডেতে কেন্টের বিদেশী তারকা খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নেন ও ক্লাবের ১৪ বছরের খরা ঘুঁচিয়ে সিলভারওয়ার এনে দেন। ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে কেন্টের পক্ষে ২০২২ সালের টি২০ প্রতিযোগিতায় ফিরে আসার কথা ঘোষণা করেন।

২০১৯ সাল থেকে আফগানিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। আগস্ট, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ গমনার্থে রশীদ খানের নেতৃত্বে আফগানিস্তানের টেস্ট দলে ঠাঁই পান। ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ইব্রাহীম জাদরান ও জহির খানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্টে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৯ ও ১৪ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/২২ ও ০/৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়ে দলে ২২৪ রানের বিজয়ে অংশ নেন। এছাড়াও, ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে ভারতের মাটিতে আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষে টি২০আই খেলার উদ্দেশ্যে তাকে দলে রাখা হয়। ১০ মার্চ, ২০২০ তারিখে গ্রেটার নয়ডায় আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টি২০আইয়ে তাঁর অভিষেক ঘটে। ঐ খেলায় ৩/২৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছেন।

Similar Posts

  • | |

    বিনু মানকড়

    ১২ এপ্রিল, ১৯১৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জামনগর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতের ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার ছিলেন। নিজের স্বর্ণালী সময়ে যে-কোন বিশ্ব একাদশে ঠাঁই পাবার অধিকারী ছিলেন। পেশাদারী পর্যায়ে…

  • |

    অ্যালান ল্যাম্ব

    ২০ জুন, ১৯৫৪ তারিখে কেপ প্রদেশের ল্যাঞ্জবানেগ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘লেগা’ কিংবা ‘ল্যাম্বি’ ডাকনামে পরিচিত অ্যালান ল্যাম্ব ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ওয়েনবার্গ বয়েজ হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৭২ থেকে…

  • |

    চার্লি লক

    ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২ তারিখে ম্যাশোনাল্যান্ডের মারান্ডেলাস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘চিভারো’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। ডানহাতি পেস বোলার। মূলতঃ সিম ও সুইংয়ের উপর নির্ভর করে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮…

  • |

    রমেশ সাক্সেনা

    ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ১৯৬০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। লঘুচরণের অধিকারী ব্যাটসম্যান হিসেবে স্পিনারদের বিপক্ষে দারুণ সফলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ধ্রুপদীশৈলীর স্ট্রোকপ্লের মারে দর্শকদের নির্মল বিনোদন জোগাতেন। সময়ে সময়ে দলের প্রয়োজনে বড়…

  • |

    এজাজ প্যাটেল

    ২১ অক্টোবর, ১৯৮৮ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ বোলার হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীপক প্যাটেল ও জীতেন প্যাটেলের পদাঙ্ক অনুসরণে নিউজিল্যান্ড দলের পক্ষে খেলেন। খুবই ছোটবেলায় ১৯৯৬ সালে মুম্বই থেকে নিউজিল্যান্ডে অভিবাসিত হন। ২০১২ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    আফাক হুসাইন

    ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৩৯ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম থেকে ১৯৭৩-৭৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে…