|

উজেশ রণচোড

১৭ মে, ১৯৬৯ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ বোলার হিসেবে ব্যবহৃত হতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। সব মিলিয়ে ২৩টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নিতে পেরেছিলেন।

১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে ডেভ হটনের নেতৃত্বে ভারত সফরে যান। একটিমাত্র টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ১৩ মার্চ, ১৯৯৩ তারিখে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। গেভিন ব্রায়ান্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ইনিংস ও ১৩ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয় তাঁর দল। মাত্র ১২ ওভার অফ-স্পিন বোলিং করেছিলেন। ঐ টেস্টে বিখ্যাত ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরকে বিদেয় করে একমাত্র উইকেট পান। ১১৪ বলে ৬২ রানে থাকাকালীন কভার অঞ্চলে অবস্থানকারী ৪৫ বছর ৩০০ দিন বয়সী বয়োজ্যেষ্ঠ ফিল্ডার জন ট্রাইকোসের তালুবন্দী করান। এছাড়াও, এ টেস্টের মাধ্যমেই তাঁর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর আর তাঁকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়নি।

টেস্ট অভিষেকের পূর্বেই তিনি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ৮ নভেম্বর, ১৯৯২ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে।

Similar Posts

  • | | |

    ফ্রাঙ্ক মান

    ৩ মার্চ, ১৮৮৮ তারিখে মিডলসেক্সের উইঞ্চমোর হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ আক্রমণাত্মক ধাঁচের অধিকারী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে স্লো বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ড দলে খেলেছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ম্যালভার্নে অধ্যয়নের পর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করেন।…

  • | |

    ড্যামিয়েন মার্টিন

    ২১ অক্টোবর, ১৯৭১ তারিখে নর্দার্ন টেরিটরির ডারউইনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘মার্টো’ ডাকনামে ভূষিত ড্যামিয়েন মার্টিন ১.৮১ মিটার উচ্চতার অধিকারী। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট একাডেমির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুম…

  • |

    ব্রায়ান ইল

    ২৯ অক্টোবর, ১৯৪১ তারিখে মানাওয়াতুর পালমারস্টোন নর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৫৯-৬০ মৌসুম থেকে ১৯৭১-৭২ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব…

  • | |

    শিবলাল যাদব

    ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে অন্ধ্রপ্রদেশের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। অফ-স্পিন বোলিং করতেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৭৭-৭৮ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে হায়দ্রাবাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে আশাব্যঞ্জক খেলা উপহার দিলেও…

  • |

    রস মর্গ্যান

    ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ব্যাটিংয়ে বেশ বিশ্বস্ততার পরিচয় দিয়েছেন। মিড-উইকেট বরাবর বল ফেলে রান তুলতে তৎপরতা দেখিয়েছেন। বল হাতে নিয়েও স্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম থেকে ১৯৭৬-৭৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…

  • |

    জ্যাসউইক টেলর

    ৩ জানুয়ারি, ১৯৩২ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। শীর্ণকায় হলেও মজবুত গড়নের অধিকারী ছিলেন ও প্রাণবন্তঃ পেস বোলিং করতেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুরদিক থেকেই পিঠের সমস্যায় জড়িয়ে…