২১ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে কেম্পটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলছেন। এছাড়াও, বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।
আফ্রিকান্স হোর স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ডলফিন্স, কোয়াজুলু-নাটাল কোস্টাল, নর্থ ওয়েস্ট ও নর্দার্নসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, নর্দার্নস অনূর্ধ্ব-১৫, দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের পক্ষে খেলেছেন। ১ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে প্রিটোরিয়ায় অনুষ্ঠিত নর্দার্ন কেপ বনাম নর্দার্নসের মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০২৩-২৪ মৌসুম থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। এ মৌসুমে নীল ব্র্যান্ডের অধিনায়কত্বে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রত্যেকটিতে অংশ নেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। এডওয়ার্ড মুর, নীল ব্র্যান্ড, ক্লাইড ফরচুন, রেনার্ড ফন টন্ডার ও টিশেপো মোরকেই’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ সিরিজে অন্যান্য অভিষেকধারীর তুলনায় ব্যাট হাতে নিয়ে বেশ ভালো করেন। প্রথম টেস্টে ২/৬১ ও ১/৪৮ লাভ করেন এবং ব্যাট হাতে ০ ও ৩৪* রান সংগ্রহ করেন। রচিন রবীন্দ্রের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ২৮১ রানে পরাজিত হলে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৩৬ রানে পৌঁছানোকালে পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৬৪ ও ১ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ০/৫ ও ০/৭ বোলিংয়ের পাশাপাশি একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, উইলিয়াম ও’রোর্কের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা খেলায় ৭ উইকেটে জয়লাভসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। সব মিলিয়ে ঐ সিরিজে ৩৩.০০ গড়ে ৯৯ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪০.৩৩ গড়ে ৩ উইকেট পেয়েছিলেন।
