১৯ আগস্ট, ২০০০ তারিখে সেন্ট কিটস ও নেভিসে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে থাকেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শী। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
তাঁর ভ্রাতা জেএস লুইস প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ২০২৩-২৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইয়ং ক্রিকেটার্সের পক্ষে খেলেছেন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে বাসেতেরেতে অনুষ্ঠিত লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস বনাম একাডেমির মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০২৪ সাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্টে অংশ নিচ্ছেন। ঐ বছর ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। আনকোড়া, অভিজ্ঞতাবিহীন দলটি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই সাত মৌসুম পরাজিত হবার লক্ষ্য নিয়ে এ সফরে যায়। ১০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ভিভ রিচার্ডস তাঁকে টেস্ট ক্যাপ প্রদান করেন। জেমস অ্যান্ডারসনের বিদায়ী টেস্টে ২৭ ও ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ব্যাটসম্যানদের অনভিজ্ঞতার চিত্রটি ব্যাপকভাবে ফুঁটে উঠে। কেবলমাত্র আলিক অ্যাথান্যাজের সাথে ৪৪ রানের জুটিটি পুরো খেলায় সফরকারীদের সর্বোচ্চ জুটি ছিল। তবে, সফরকারীরা গাস অ্যাটকিনসনের অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে ইনিংস ও ১১৪ রানের ব্যবধানে পরাজয়বরণ করে।
২০২৪ সালে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলেন। ঐ বছর তেম্বা বাভুমা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৭ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। খেলায় তিনি ৩৫ ও ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কেশব মহারাজের অসাধারণ বোলিংশৈলী স্বত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান সফরে যান। ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে মুলতানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ১৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে সাজিদ খানের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, সাজিদ খানের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১২৭ রানে জয়লাভ করলে সিরিজে এগিয়ে যায়।
২০২৫ সালে নিজ দেশে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১২ জুলাই, ২০২৫ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত দিবা-রাত্রির তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৭ ও ৪ রান সংগ্রহ করেন। মিচেল স্টার্কের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১৭৬ রানে জয় পেলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
