|

শাহীন শাহ আফ্রিদি

৬ এপ্রিল, ২০০০ তারিখে খাইবার এজেন্সিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলছেন। অল-রাউন্ডার হিসেবেও নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। বামহাতে ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

মিষ্ট চেহারা, শিশুসূলভ হাসি ও শান্ত শিষ্ট গড়নে অধিকারী। শিশুসূলভ মুখশ্রী হলেও উচ্চতায় ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি গড়নের অধিকারী। পাকিস্তানের ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘকায় বোলারের পরিচিতি পেয়েছেন। এছাড়াও, স্বল্পসংখ্যক খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে ঘণ্টাপ্রতি ৯০ মাইল গতিবেগে বোলিং করার সক্ষমতা দেখিয়েছেন।

পশতু বংশোদ্ভূত আফ্রিদি গোত্রের অধিবাসী ও ইয়াসির আফ্রিদি’র চাচাতো ভাই। ১৫ বছর বয়সে সহোদর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা রিয়াজ আফ্রিদি’র পদাঙ্ক অনুসরণ করে এফএটিএতে যোগ দেন ও ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। ফলশ্রুতিতে, ২০১৫ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সদস্য হন। পেসের মান, শারীরিক গড়ন ও স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে নভেম্বরে অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়ার গমনের সুযোগ পান। তিন খেলা থেকে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন। এরপর থেকেই যুবদের দলে খেলতে থাকেন।

২০১৭-১৮ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে বালুচিস্তান, ফেডারেলি এডমিনিস্টার্ড ট্রাইবাল এরিয়াজ, খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ, নর্দান এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ঢাকা ডায়নামাইটস, লাহোর কালান্দার্স ও পাখতুন্সের পক্ষে খেলেছেন।

১৬ বছর বয়সে ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। এরপর, ১৭ বছর বয়সে ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত খেলায় খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের সদস্যরূপে রাওয়ালপিন্ডির বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম খেলায় অংশ নেন। কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে অভিষেক প্রথম-শ্রেণীর খেলায় নিজস্ব সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৮/৩৯ দাঁড় করিয়েছিলেন। এরফলে, অভিষেকে ঐ প্রতিযোগিতায় সেরা বোলিং পরিসংখ্যানের রেকর্ড দাঁড় করান। এরপর, পাকিস্তান সুপার লীগে লাহোর কালান্দার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। গ্রুপ পর্বের খেলায় ৫/৪ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করানোর সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি২০আই দলের সদস্যরূপে তাঁকে মনোনীত করা হয়। প্রায় তিন বছর জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজরে ছিলেন। এরপর, বালুচিস্তানের সদস্যরূপে লিস্ট-এ ক্রিকেটে অভিষেক হয়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, ২০১৮ সালে ১৮ বছর বয়সে তিন স্তরের সব ধরনের ক্রিকেটেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খেলেন।

২০১৮ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০১৮ সালে নিজ দেশে ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩ এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টি২০আইয়ে প্রথম খেলেন। নতুন শতকে জন্মগ্রহণকারী প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচনা খেলায় বেশ দূর্বল ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। তাসত্ত্বেও, তাঁর দল খেলায় বিজয়ী হয়েছিলে।

এরপর, এশিয়া কাপে মোহাম্মদ আমিরের স্থলাভিষিক্ত হন ও ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে। ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখে আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ঐ খেলায় ২ উইকেট লাভ করে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দলের ৩ উইকেটের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন।

২০১৮-১৯ মৌসুমে সরফরাজ আহমেদের অধিনায়কত্বে পাকিস্তানী দলের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে আবুধাবিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এরফলে, ১৯ বছরের কম বয়সী ৩৫তম পাকিস্তানী খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান। দীর্ঘকায় গড়ন নিয়ে খেলায় তিনি তিন উইকেট দখল করেন, তবে প্রতিপক্ষীয় দলনায়ক কেন উইলিয়ামসনের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ১২৩ রানের ব্যবধানে কিউইরা বিজয়ী হয় ও ২-১ ব্যবধানে রাবার জয় করে নেয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পিচে পর্যাপ্ত বাউন্স আনয়ণে সক্ষমতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও, ইয়র্কারে ব্যাটসম্যানের সমীহের পাত্রে পরিণত হন। সময়ে সময়ে বেশ ভালোমানের নিশানা বরাবর বোলিংয়ে সক্ষম।

২০১৯ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬/৩৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে পাকিস্তানে বিজয়ে বড় ধরনের ভূমিকা রাখেন। লর্ডসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ১৯ বছর বয়সে ওডিআইয়ে পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। ফাস্ট বোলার হিসেবে শুরুতেই তিনি দৃষ্টিনন্দন ধীরলয়ের বলে তামিম ইকবালকে বিদেয় করেন। এরপর, লিটন দাসকে বিদেয় করার পর সাকিব আল হাসানের মূল্যবান উইকেট দখল করলে পাকিস্তান খেলার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। পরবর্তীতে, মাঝারিসারিতে মাহমুদুল্লাহ ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের উইকেট পান। ম্যান অব দ্য ম্যাচের দাবীদার হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমানের শেষ উইকেট নিলে বাংলাদেশ দল ৯৪ রানে পরাজিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে আইসিসি তাঁকে পাকিস্তান দলের উদীয়মান তারকা হিসেবে ঘোষণা করে।

২০২১ সালে বাবর আজমের অধিনায়কত্বে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমন করেন। পুরো সিরিজে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করেছিলেন। ২০ আগস্ট, ২০২১ তারিখে কিংস্টনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৬/৫১ ও ৪/৪৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর দূর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ১০৯ রানে জয় পেয়ে অমিমাংসিত অবস্থায় সিরিজটি শেষ করতে সক্ষম হয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভসহ সিরিজে ১৮ উইকেট লাভ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।

২০২৩-২৪ মৌসুমে শান মাসুদের অধিনায়কত্বে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ২/৮৫ ও ৪/৭৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ২১ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় দলনেতা প্যাট কামিন্সের অসামান্য বোলিংশৈলীতে স্বাগতিকরা ৭৯ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজ দেশে এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১/৯৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয়ে নিয়েছিলেন। কেশব মহারাজের দূর্দান্ত অল-রাউন্ড কৃতিত্বে সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি ড্র করতে সমর্থ হয়।

Similar Posts

  • | |

    কুইন্টন ডি কক

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজস্ব ২১তম জন্মদিনের পূর্বেই অনেক ক্রিকেটারের তুলনায় খেলোয়াড়ী জীবনে অনেকগুলো অর্জনের সাথে নিজেকে জড়িয়েছেন। শুধুমাত্র স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান করে দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ…

  • |

    ডেনিস টমলিনসন

    ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯১০ তারিখে রোডেশিয়ার আমটালি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। গ্রাহামসটাউনে এসএ স্কুলসের সদস্যরূপে সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে খেলেন। এ সফরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক পার্সি হোমসের উইকেট পান।…

  • |

    এহতেশামুদ্দীন

    ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬৯-৭০ মৌসুম থেকে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স, পাঞ্জাব, পাঞ্জাব…

  • |

    স্যাম কনস্টাস

    ২ অক্টোবর, ২০০৫ তারিখে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০২২-২৩ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, সিডনি থান্ডার ও অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন। ২৮ নভেম্বর, ২০২৩…

  • |

    জর্জ গান

    ১৩ জুন, ১৮৭৯ তারিখে নটিংহ্যামশায়ারের হাকনল টর্কার্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিং করতে পারতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহ্যামশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খুব সম্ভবতঃ নটিংহ্যামশায়ারের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যানের মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। দলটিতে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।…

  • |

    ফ্রান্সিস ওয়াল্টার্স

    ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬০ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ইস্ট মেলবোর্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘকায় ও শক্ত মজবুত গড়নের অধিকারী। ড্রাইভ ও কাটের দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটাতেন। ব্যাটিং উপযোগী পিচে বেশ আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্বাধীনভাবে খেলতেন। ১৮৮০-৮১ মৌসুম থেকে…