| |

মোহাম্মদ রিজওয়ান

১ জুন, ১৯৯২ তারিখে খাইবার পাখতুনখোয়ার পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। ডানহাতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, প্রতিভাধর উইকেট-রক্ষক হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন ও চমৎকারভাবে বলকে করায়ত্ত্ব করতে পারেন। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও টেস্টে দলের অধিনায়কত্ব করেছেন।

৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে ফাটা রিজিওন, খাইবার পাখতুনখোয়া, নর্থ ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স-বালুচিস্তান, পেশাওয়ার ও সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইন্স লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, করাচী কিংস, খাইবার-পাখতুনখোয়া ফাইটার্স, লাহোর কালান্দার্স, মুলতান সুলতান্স, পেশাওয়ার প্যান্থার্স ও সিডনি সিক্সার্সের পক্ষে খেলেছেন। ২৮ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে পেশাওয়ারে অনুষ্ঠিত পেশাওয়ার বনাম অ্যাবোটাবাদের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে ক্রমাগত রানের সন্ধান পেয়ে আসছেন। পেন্টাগুলার ওয়ান ডে কাপে খাইবার-পাখতুনখোয়া ফাইটার্সের পক্ষে ৮৭ বলে ১০৩ রান তুলে দলের শিরোপা বিজয়ে নেতৃত্ব দেন। সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইন্স লিমিটেড ক্রিকেট দল ও সিলেট সিক্সার্সের পক্ষে খেলেছেন। এক দশকের অধিক পূর্বে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নেয়ার পর থেকে কায়েদ-ই-আজম ট্রফির সবগুলো আসরে অংশ নিয়েছেন। এসএনজিপিএল দলের সফলতার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। চার বছরের মধ্যে তিনবার দলের শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। ফলশ্রুতিতে, জাতীয় দলে খেলার জন্যে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সীমিত ব্যাটিং কৌশলের অধিকারী হলেও পরিপক্ক উইকেট-রক্ষক হিসেবে শুরুতেই দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার অল্প কিছুদিন পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম খেলার সুযোগ ঘটে। এ পর্যায়ে স্ট্যাম্পের পিছনে উপযুক্ত খেলোয়াড়ের অভাব বিদ্যমান ছিল।

২০১৫ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০১৫ সালে দলের সাথে বাংলাদেশ সফর করেন। ১৭ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে ওডিআই ও ২৪ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে একই মাঠে একই দলের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অভিষেক ঘটে।

২০১৬-১৭ মৌসুমে আজহার আলী’র নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২৫ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০ ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, টিম সাউদি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৩৮ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

আন্তর্জাতিক খেলাগুলোয় অংশ নিয়ে নিজেকে দলের কার্যকরী সদস্যে পরিণত করেন। এছাড়াও, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন। প্রথম আট ইনিংস থেকে ব্যাট হাতে প্রায় ৬০-এর কাছাকাছি গড়ে রান পেয়েছেন। তবে, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতার কবলে পড়েন। তাঁর সীমাবদ্ধতা দ্রুত প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে দলে তাঁর অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তাঁকে স্থানচ্যূত হতে হয়।

২০১৬ সালের বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় সরফরাজ আহমেদকে অগ্রাধিকার দেয়া হয় ও তাঁকে সত্যিকারের পাকিস্তানের প্রধান উইকেট-রক্ষক, তা প্রমাণিত হয়ে যায়। ঐ প্রতিযোগিতায় দলের শোচনীয় পরাজয়ের পর সরফরাজ আহমেদকে সীমিত-ওভারের দলে অধিনায়কের মর্যাদা দেয়া হয়। অপরদিকে, তাঁর খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ আরও স্তিমিত হয়ে পড়ে। ২০১৭ সালের শুরুতে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে তাঁকে রাখা হয়নি। দল থেকে উপেক্ষার পাত্রে পরিণত হলে ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত খেলতে থাকেন।

জানুয়ারি, ২০১৯ সালে সরফরাজ আহমেদ নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়লে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে পাঁচ খেলায় অংশ নেয়ার জন্যে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরফলে, দুই বছরের মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। স্মরণীয় খেলা উপহার দেন। প্রায়শঃই ব্যাট হাতে নিয়ে পাকিস্তানের প্রথম পছন্দের উইকেট-রক্ষক ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেন। কিন্তু, পেশাওয়ারের ২৭ বছর বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর গুণাবলীর মাধ্যমে জানিয়ে দেন যে, পাকিস্তানের পক্ষে তাঁর নিয়মিতভাবে খেলার যোগ্যতা ছিল।

২০২০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে ৪৩.১৪ গড়ে রান তুলেছেন। এ বছর আজহার আলী’র নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। পুরো সিরিজে দূর্দান্ত খেলেন। ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে বেন স্টোকসের ক্যাচ অবিশ্বাস্যভাবে মুঠোয় পুড়েছিলেন।

একই সফরের ২১ আগস্ট, ২০২০ তারিখে সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পেয়ে ৫৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, জ্যাক ক্রলি’র অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ায়। এ সিরিজে ১৬১ রান সংগ্রহ করে জোস বাটলারের সাথে যৌথভাবে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২০-২১ মৌসুমে নিজ দেশে কুইন্টন ডি ককের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৯৫ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতরানের ইনিংস খেলেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ১১৫* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। তবে, হাসান আলী’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯৫ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। এ সিরিজের ১৬৬ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

টি২০আইয়ের মূল্যবান খেলোয়াড় হিসেবে তিনি যথাযথভাবে শট খেলে থাকেন। তাসত্ত্বেও সরফরাজ আহমেদের ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক হিসেবে শক্তভাবে মানিয়ে নেয়ার কারণে কোন দিক দিয়েই এ স্তরের ক্রিকেটে স্থানচ্যূত করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। পাকিস্তান সুপার লীগে করাচী কিংসের প্রতিনিধিত্ব করছেন। পাকিস্তানের বিকল্প উইকেট-রক্ষক হিসেবে দৃশ্যতঃ দলে স্বীয় স্থান পাকাপোক্ত করে রেখেছেন।

২০২৪ সালে নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২১ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অপূর্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। ১৭১* ও ৫১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, চারটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তাসত্ত্বেও, মুশফিকুর রহিমের কল্যাণে সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০২৪-২৫ মৌসুমে নিজ দেশে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৪ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ১৭ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, তিনটি ক্যাচ ও দুইটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। তবে, সৌদ শাকিলের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ৮ উইকেটে পরাজিত হলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২৭ ও ৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে সাতটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এইডেন মার্করামের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২ উইকেটে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজ দেশে এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১৯ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি স্ট্যাম্পিং ও একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। কেশব মহারাজের দূর্দান্ত অল-রাউন্ড কৃতিত্বে সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি ড্র করতে সমর্থ হয়।

Similar Posts

  • |

    চার্লি ম্যাকলিওড

    ২৪ অক্টোবর, ১৮৬৯ তারিখে ভিক্টোরিয়ার স্যান্ডব্রিজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ব্যাটিংয়ে অসম্ভব ধৈর্য্যশীলতার পরিচয় দিতে ও নিখুঁতমানের বোলার হিসেবে সবিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। তবে, শ্রবণেন্দ্রিয়ের সমস্যার কারণে ফিল্ডিং ও উইকেটের প্রান্ত বদলে বিরূপ প্রভাব ফেলতেন। ১৮৯৩-৯৪ মৌসুম…

  • |

    সঞ্জীবা বীরাসিংহে

    ১ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব এবং তামিল…

  • | | |

    ওয়াসিম বারি

    ২৩ মার্চ, ১৯৪৮ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে বোলিংয়েও পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের নেতৃত্বে ছিলেন। পাকিস্তানে মানসম্পন্ন উইকেট-রক্ষক না থাকলেও সেরাদের কাতারে অবস্থানে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন স্ব-মহিমায়। রডনি মার্শ কিংবা জেফ ডুজনের ন্যায় দর্শনীয় না হলেও…

  • | |

    হ্যারি বয়েল

    ১০ ডিসেম্বর, ১৮৪৭ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১.৮৩ মিটার উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। ড্যানিয়েল বয়সে ও শার্লত দম্পতির সন্তান। বোলিংকালে দৃঢ় প্রত্যয়ী মনোভাব পোষণ করতেন। ১৮৭১-৭২ মৌসুম…

  • | | | |

    রিচি রিচার্ডসন

    ১২ জানুয়ারি, ১৯৬২ তারিখে অ্যান্টিগুয়ার ফাইভ আইল্যান্ডস ভিলেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, রেফারি ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ব্যাটিং করতেন। ব্যাটিংকালে হেলমেটের পরিবর্তে গাঢ় তাম্রবর্ণের সৌর টুপি পরিধান করে খেলতে নামতেন। অটোস কম্প্রিহেনসিভ…

  • | |

    ফ্রাঙ্ক ওরেল

    ১ আগস্ট, ১৯২৪ তারিখে বার্বাডোসের ব্যাংক হল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম কিংবা বামহাতে স্লো বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঝারিসারিতে তিনজন অসাধারণ ব্যাটসম্যানের অন্যতম ছিলেন। যেখানে ক্লাইড ওয়ালকট ও এভারটন উইকস শক্তিপ্রয়োগে খেলতেন;…