| | |

রিকি পন্টিং

১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

৫ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। গ্রায়েম পন্টিং ও লরেইন পন্টিং দম্পতির সন্তান ছিলেন। খুব সহজেই ক্রিকেটের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়েছেন। প্রচলিত ধাঁচের অস্ট্রেলীয় খেলোয়াড়ের যুৎসই উদাহরণ হিসেবে রয়েছেন। আক্রমণাত্মক, আত্মবিশ্বাসী মনোভাব নিয়ে খেলতেন। একাডেমির কোচ রড মার্শ একদা তাঁকে তাঁর দেখা সেরা কিশোর ব্যাটসম্যানরূপে চিত্রিত করেছেন।

১৭ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ‘পান্টার’ ডাকনামে পরিচিত রিকি পন্টিংয়ের অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। বর্ণাঢ্যময় খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

১৯৯৫ থেকে ২০১২ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ১৬৮ টেস্ট, ৩৭৫টি ওডিআই ও ১৭টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৫ সালে ২০ বছর বয়সে তাঁকে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে ঠাঁই দেয়া হয়। ওডিআই খেলোয়াড়ী জীবনে চমৎকার সূচনার কারণে একই বছরে তাঁকে টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দূর্ভাগ্যজনকভাবে অল্পের জন্যে অভিষেক টেস্টে শতক হাঁকাতে পারেননি। তাসত্ত্বেও নিজেকে ক্রিকেট বিশ্বকে আবির্ভাবের কথা তুলে ধরতে কার্পণ্য করেননি।

১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে নিজ দেশে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। স্টুয়ার্ট ল’য়ের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৯৬ রান তুলে চামিণ্ডা ভাসের বলে এলবিডব্লিউতে বিদেয় নেন। এছাড়াও, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মাইকেল স্ল্যাটারের অনবদ্য দ্বি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৩৬ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে গমন করেন। প্রসঙ্গতঃ, এটিই উভয় দলের মধ্যকার উদ্বোধনী টেস্ট ছিল। ১৪ অক্টোবর, ১৯৯৯ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র-টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩১ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন।  এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/০ ও ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। দলীয় অধিনায়কের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয়লাভ করে।

২০০১-০২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০০২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৩৯ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অ্যাডাম গিলক্রিস্টের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ৮ মার্চ, ২০০২ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৪৭ ও ১০০* রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, শেন ওয়ার্নের দূর্দান্ত অল-রাউন্ড সাফল্যে স্বাগতিক দল ৪ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুর দিনগুলোয় মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। পরবর্তীতে তিন নম্বর অবস্থানে স্থায়ী আসন গড়েন। শুরুতে শৃঙ্খলার ধার ধারতেন না। তবে, বয়সের পাশাপাশি তা করায়ত্ত্ব করেন। ২০০২ সাল থেকে দলের নেতৃত্বের দিকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। ওডিআইয়ে অধিনায়কের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়। এরপর থেকে তাঁর মাঝে কিছুটা অতিমানবীয় ধাঁচ লক্ষ্য করা যায়। জানুয়ারি, ২০০২ সাল থেকে ডিসেম্বর, ২০০৩ সাল পর্যন্ত মাত্র ৯২ ইনিংসে ১৮টি আন্তর্জাতিক শতক হাঁকান। দলের নেতৃত্বের বিষয়টি বেশ উপভোগ করতে থাকেন ও নেতৃত্বের উদাহরণ সৃষ্টি করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এক পর্যায়ে টেস্ট দলের নেতৃত্ব তাঁর কাঁধে চলে আসে।

২০০৪-০৫ মৌসুমে নিজ দেশে মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৪ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ ও ৬২ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ড্যামিয়েন মার্টিনের অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে অজি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২৬ মার্চ, ২০০৫ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণত্ব ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১০৫ ও ৮৬* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, ০/১০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০০৫ সালে অজি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান। স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে ওডিআইয়ে একমাত্র শতকের সন্ধান পেয়েছিলেন। সিরিজের দ্বিতীয় ওডিআইয়ে ব্রেট লি’র পাঁচ-উইকেটে প্রতিপক্ষ ২২৩/৮ তুললে ১১১ রান সংগ্রহ করেন। ৩৪ বল বাকী থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যে সাত উইকেটের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় তাঁর দল। ড্যারেন গফের বোলিংয়ে কেভিন পিটারসনের তালুবন্দীতে পরিণত হবার পূর্বে ১১৫ বল মোকাবেলান্তে চৌদ্দটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। মনোমুগ্ধকর শতরানের কল্যাণে লর্ডসের সীমিত-ওভারের অনার্স বোর্ডে ঠাঁই পান।

২৫ আগস্ট, ২০০৫ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ৪৮ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০৫-০৬ মৌসুমে নিজ দেশে শিবনারায়ণ চন্দরপলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৭ নভেম্বর, ২০০৫ তারিখে হোবার্টে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১৭ ও * রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মাইকেল হাসি’র দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০৬-০৭ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। ২ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্টুয়ার্ট ক্লার্কের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া সাফল্যে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। এ সিরিজে ৫৭৬ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

অস্ট্রেলিয়া দলকে প্রভাববিস্তারকারী দলে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হন ও দলের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে নিজেকে পরিণত করেন। তিন বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ে অংশ নেন।

২০০৮-০৯ মৌসুমে ফিরতি সফরে অজি দলকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৮৩ ও ২৫ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মিচেল জনসনের অনবদ্য অল-রাউন্ড কৃতিত্বে স্বাগতিকরা ১৬২ রানে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০০৯-১০ মৌসুমে নিজ দেশে ক্রিস গেইলের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৬ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি প্রথম ইনিংসে ২৩ রান সংগ্রহ করে রিটায়ার্ড হার্ট হন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় ক্রিস গেইলের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলী সত্ত্বেও সফরকারীরা ৩৫ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৪ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে হোবার্টে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। ঐ টেস্টে ২০৯ ও ৮৯ রান তুলেন। তাঁর দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৩১ রানে জয় পেয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০১২-১৩ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ৩০ নভেম্বর, ২০১২ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪ ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। হাশিম আমলা’র অনবদ্য ব্যাটিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ৩০৯ রানে পরাজিত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ক্রিকইনফো প্রণীত ২০০০ থেকে ২০০৯ সময়কালে দশকের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত হন। ২০০৩ সালে উইজডেন কর্তৃক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড় ও ২০০৬ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ২০০৬ ও ২০০৭ সালে আইসিসি বর্ষসেরা খেলোয়াড়, ২০০৭ সালে আইসিসি বর্ষসেরা অধিনায়ক, ২০০৩, ২০০৪ ও ২০০৬ সালে আইসিসি বর্ষসেরা টেস্ট খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত হন।

২১ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে স্পোর্ট অস্ট্রেলিয়া হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন। অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া পদকে ভূষিত হন। ২০০৪, ২০০৬, ২০০৭ ও ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে অ্যালান বর্ডার পদক লাভ করেন। ২০১৭ সালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া হল অব ফেম ও ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে আইসিসি হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। রায়ানা জেনিফার ক্যান্টর নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন।

Similar Posts

  • |

    কামিন্ডু মেন্ডিস

    ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে গলেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর অফ-ব্রেক কিংবা স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারঙ্গমতা প্রদর্শন করছেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। গলেভিত্তিক রিচমন্ড কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ষোড়শ জন্মদিন উদযাপনের পূর্বেই শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ২০১৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯…

  • | |

    অ্যালান ডসন

    ২৭ নভেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ২০০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কেপ কোবরাস…

  • | |

    নাজমুল হোসেন শান্ত

    ২৫ আগস্ট, ১৯৯৮ তারিখে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ধ্রুপদীশৈলীর বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। দর্শনীয় ব্যাটিং নৈপুণ্যের অধিকারী হিসেবে পিছনে ব্যাট উঁচু করে বামহাতে বল মোকাবেলা করার সক্ষমতা…

  • | |

    মাইকেল স্লেটার

    ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের ওয়াগা ওয়াগায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ‘স্ল্যাটস’ ডাকনামে পরিচিত মাইকেল স্ল্যাটার আগ্রাসী ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে সম্যক পরিচিতি লাভ করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। তাঁর পরিবার ক্রিকেটের সাথে জড়িত ছিল। ফলশ্রুতিতে, খুব ছোটবেলা থেকেই এ খেলায়…

  • | |

    রঞ্জিত মাদুরাসিংহে

    ৩০ জানুয়ারি, ১৯৬১ তারিখে কুরুনেগালা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ ৬ ফুট উচ্চতার অধিকারী। কুরুনেগালাভিত্তিক মালিয়াদেব কলেজে অধ্যয়ন করেছিলেন। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের…

  • | | |

    ডিওন ন্যাশ

    ২০ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাশাপাশি, সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ক্রিকেটে যুক্ত হবার পূর্বে অনেকগুলো ক্রীড়ায় সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন। বাস্কেটবল ও রাগবি খেলায় দক্ষ ছিলেন। অকল্যান্ডে অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলে অংশ নিয়েছেন। অস্ট্রেলীয়…