|

হরভজন সিং

৩ জুলাই, ১৯৮০ তারিখে পাঞ্জাবের জলন্ধরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে অবদান রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। সরদার সরদেব সিং প্লাহা ও অবতার কৌর দম্পতির সন্তান ছিলেন। ভারতের অন্যতম সেরা অফ-স্পিনারের মর্যাদা পেয়েছেন। তাঁর অফ-ব্রেক বোলিং দেখতে ভীতিকর ছিল। পিচে পর্যাপ্ত পেস আনয়ণ করতেন। বলকে উভয় দিক দিয়েই ঘুরাতে পারতেন। এক পর্যায়ে সন্দেহজনক বোলিংয়ের কারণে দূরে থাকেন ও পরবর্তীতে দলে ফিরিয়ে আনা হয়। শুরুতেই উইকেটের সন্ধান পেলে তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতেন। এর ব্যতিক্রম হলে প্রায়শঃই খেঁই হারিয়ে ফেলতেন।

১৯৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে পাঞ্জাব এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ার, সারে ও এসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, এয়ার ইন্ডিয়া, এশীয় একাদশ, আন্তর্জাতিক একাদশ, চেন্নাই সুপার কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন।

১৯৯৮ থেকে ২০১৬ সময়কালে ভারতের পক্ষে সর্বমোট ১০৩ টেস্ট, ২৩৬টি ওডিআই ও ২৮টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০০-০১ মৌসুমে নিজ দেশে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনিল কুম্বলে’র আঘাতের কারণে তাঁকে দলে ঠাঁই দেয়া হয়। তবে, এর ব্যতয় ঘটলে হয়তোবা তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চালনায় নিজেকে যুক্ত রাখতেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফলতার পিছনে সৌরভ গাঙ্গুলী’র অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। যদি সৌরভ গাঙ্গুলী সহায়তার হাত প্রসারিত না করতেন তাহলে হয়তোবা ট্রাক চালক হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েই বিস্ময়করভাবে সফলতার স্বাক্ষর রাখেন।

১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে নিজ দেশে মার্ক টেলরের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৫ মার্চ, ১৯৯৮ তারিখে ব্যাঙ্গালোরে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৪* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ২/১১২ ও ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলেও স্বাগতিকরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে মোহাম্মদ আজহারউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে ওয়েলিংটনের ব্যাসিন রিজার্ভে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে ১ রান করে সংগ্রহ করে ক্রেগ ম্যাকমিলানের বলে বিদেয় নেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৬১ ও ০/১১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করেছিলেন। সায়মন ডৌলের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৪ উইকেটে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে যায়।

২০০০-০১ মৌসুমে তিন টেস্টে অংশ নিয়ে ১৭ গড়ে ৩২ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে, শেষ দুই টেস্টে ১৫ গড়ে ২৮ উইকেট পেয়েছিলেন। দলের অন্য কেউ চার উইকেটের বেশী পাননি। এর পর আরও অনেকগুলো সিরিজ খেলেন। ঐ সিরিজে অস্ট্রেলীয়দের বিপক্ষেই কেবল সফলতার স্বাক্ষর রাখেননি। ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭/৮৭, মোতেরায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭/৬২, সাবিনা পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫/১৩, গলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬/১০২ ও ৪/৫১, হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬/৬৩ ও নিউল্যান্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭/১২০ পান।

ঐ মৌসুমে চেন্নাইয়ে স্টিভ ওয়াহ’র নেতৃত্বাধীন সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের বিজয়ে অংশ নিয়েছিলেন। পুরো সিরিজে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। ১৮ মার্চ, ২০০১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে ১৫ উইকেট দখল করেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৭/১৩৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮/৮৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর অনবদ্য বোলিংয়ের কল্যাণে খেলায় তাঁর দল নাটকীয়ভাবে দুই উইকেটে জয় পায় ও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও, ৩৪ রান ও ৩২ উইকেট দখল করে খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।

২০০২-০৩ মৌসুমে নিজ দেশে কার্ল হুপারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে তিনি অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ৩০ অক্টোবর, ২০০২ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৬ ও ২৬ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ৫/১১৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, শচীন তেন্ডুলকরের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিক গড়ায় ও স্বাগতিক দল ২-০ ব্যবধানে জয় পায়। এ সিরিজে ৬৯ রান সংগ্রহসহ ২০ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০০৪-০৫ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২৮ নভেম্বর, ২০০৪ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। খেলায় তিনি ২/৫৪ ও ৭/৮৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ বোলিংয়ের সুবাদে সফরকারীরা ৮ উইকেটে পরাজিত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০০৫-০৬ মৌসুমে নিজ দেশে মারভান আতাপাত্তু’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৫ তারিখে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৪০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৭/৬২ ও ৩/৭৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৫৯ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।

২০০৯-১০ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রায়েম স্মিথের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে জেপি ডুমিনি’র তৃতীয় উইকেট লাভ করে টেস্টে ৩৫০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/৬৪ ও ৫/৫৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, দলের একমাত্র ইনিংসে তাঁকে ব্যাটিংয়ে নামতে হয়নি। হাশিম আমলা’র জোড়া শতক সত্ত্বেও স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫৭ রানে জয়লাভ করলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ করতে সক্ষম হয়।

২০১০-১১ মৌসুমে নিজ দেশে ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বে পরিচয় দেন। ৪ নভেম্বর, ২০১০ তারিখে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। চমৎকার ক্রীড়া নৈপুণ্যের ছাঁপ রাখেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানে পৌঁছানোকালে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। এ ইনিংসে ৬৯ রান তুলেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০ রান সংগ্রহ করে আবারও পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে ১১৫ সংগ্রহ করেন। এরফলে, নিজস্ব প্রথম টেস্ট শতকের সন্ধান পান। এছাড়াও, ১/১১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই সফরের ২০ নভেম্বর, ২০১০ তারিখে নাগপুরে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৯ ও ৩/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। রাহুল দ্রাবিড়ের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৯৮ রানে জয় পেলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। এ সিরিজে ৩১৫ রান সংগ্রহসহ ১০ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০১৫-১৬ মৌসুমে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বে ভারতীয় দলের সাথে শ্রীলঙ্কা সফরে করেন। ১২ আগস্ট, ২০১৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ০/১৭ ও ১/৭৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১৪ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, দিনেশ চণ্ডীমালের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় স্বাগতিকরা ৬৩ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে ৪১৭ উইকেট দখলের পাশাপাশি দুই সহস্রাধিক রান পেয়েছেন। তন্মধ্যে, দুইটি শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন। ২৩৬টি ওডিআইয়ে ২৬৯ উইকেট দখল করেছেন। জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ২০১৮ সালের আইপিএলের শিরোপা বিজয়ী চেন্নাই সুপার কিংসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই অধিক সফল ছিলেন। ৩০ গড়ে ৯৫ উইকেট পান। তন্মধ্যে, নিজ দেশে ২৫ গড়ে ৮৬ উইকেট দখল করেছিলেন। বিশেষতঃ রিকি পন্টিং তাঁর প্রিয় শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। ১৪ টেস্টে ১০বার তাঁকে বিদেয় করেছিলেন। এছাড়াও, ম্যাথু হেইডেনকে ১৩ টেস্টে নয়বার, অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে ১০ টেস্টে সাতবার বিদেয় করেন।

পাশাপাশি, ২০০৭-০৮ মৌসুমে অ্যান্ড্রু সায়মন্ডস তাঁর বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ আনেন। এ ঘটনার অল্প কিছুদিন পর ২৫ এপ্রিল, ২০০৮ তারিখে মোহালিতে অনুষ্ঠিত কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যকার খেলার এক পর্যায়ে এস শ্রীশান্তের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় আইপিএলের ২০০৮ সালের আসরের বাদ-বাকী সময় নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন। পাশাপাশি পাঁচটি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের উপর নিষিদ্ধঘোষিত হন। ২০০৩ সালে অর্জুন পদক ও ২০০৯ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন। সাতজন ভারতীয় ক্রিকেটারের অন্যতম হিসেবে সরকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রিকেটে অসামান্য সেবা দেয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ বার্নালাভিত্তিক পাঞ্জাব পুলিশ সদর দফতর কর্তৃপক্ষ তাঁকে ডেপুটি পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে মনোনীত করে।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। গীতা বসরা নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির হিনায়া হীর প্লাহা নাম্নী কন্যা রয়েছে।

Similar Posts

  • | |

    ক্লিন্ট ম্যাককে

    ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৩ তারিখে ভিক্টোরিয়ার মেলবোর্নে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১.৯৪ মিটার উচ্চতার অধিকারী। বেশ নিখুঁত মানসম্পন্ন ও দক্ষতার সাথে ধীরগতির বোলিং করতেন। বেশ ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হন। নর্থ ওয়েস্ট ক্রিকেট…

  • | |

    জর্জ হ্যাডলি

    ৩০ মে, ১৯০৯ তারিখে পানামার কোলনে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। পানামার ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান সম্প্রদায়ে তাঁর জন্ম। ১৯১৯ সালে মাতা তাঁর জন্মস্থান জ্যামাইকায় তাঁকে প্রেরণ করেন। তাঁকে ইংরেজী ভাষী বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর হয়। সেখানেই…

  • | |

    সুরেশ রায়না

    ২৭ নভেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে উত্তরপ্রদেশের মুর্দানগরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদশী। ভারত দলের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক অংশ নিয়েছেন ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘সানু’ ডাকনামে ভূষিত সুরেশ রায়না ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০০ সালে ক্রিকেট খেলতে সিদ্ধান্ত নেন।…

  • |

    প্রবীণ আম্রে

    ১৪ আগস্ট, ১৯৬৮ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। শচীন তেন্ডুলকর ও বিনোদ কাম্বলি’র প্রশিক্ষক রামাকান্ত আচরেকরের তীক্ষ্ণ নজরে ছিলেন। আকস্মিকভাবেই ক্রিকেটের সাথে পরিচিত হন। শৈশবকাল থেকেই সুপরিচিত শিবাজী পার্কে…

  • | |

    টেরি অল্ডারম্যান

    ১২ জুন, ১৯৫৬ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পার্থে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। মিডিয়াম পেসার হিসেবে দৃশ্যতঃ ইংল্যান্ডের মাটিতে দূর্দমনীয় ছিলেন। সর্বদাই মৃদু হাসি নিয়ে বোলিংয়ে অগ্রসর হতেন। যতক্ষণ বোলিংয়ে অগ্রসর হতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত…

  • |

    কলিন ম্যাককুল

    ৯ ডিসেম্বর, ১৯১৬ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্যাডিংটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও লেখক ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও, স্লিপ অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৩৯-৪০ মৌসুম থেকে ১৯৬০ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ…