১৪ আগস্ট, ১৯৬২ তারিখে পাঞ্জাবের লায়লপুরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে লেগ ব্রেক বোলিংয়ে অগ্রসর হতেন। পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে তাঁর জন্ম। দর্শনীয় ডানহাতি ধ্রুপদী ব্যাটিংশৈলীর অধিকারী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। দূর্দান্ত স্ট্রোকপ্লের কারণে সমর্থকদের কাছে বিপুল সমাদৃত ছিলেন। আলতো ছোঁয়ায় স্কয়ার লেগ অঞ্চলে বলকে ফেলে তাঁর স্ট্রোকের স্বাক্ষর রাখতেন। ওডিআই দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন।

১৯৭৭-৭৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে অ্যালাইড ব্যাংক, ইসলামাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, লাহোর, পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশন, পাঞ্জাব ও সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭৮ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচনা পর্বটি তেমন সুবিধের হয়নি। ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে ৪৪.৫৩ গড়ে ৫৭৯ রান সংগ্রহের পর পরের মৌসুমে ৪০.৪৩ গড়ে ১২৪৯ রান তুলেন। ফলশ্রুতিতে, জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষমতা দেখান।

১৯৮৪ থেকে ১৯৯৭ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বমোট ৫৭ টেস্ট ও ১৯৮টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে নিজে দেশে বব উইলিসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। টেস্টের শুরুটা তেমন সুবিধের হয়নি। ২ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে করাচীতে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। অনিল দলপতের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এছাড়াও, চার মোহাম্মদ ভ্রাতাদের পর স্বীয় ভ্রাতা ওয়াসিম রাজা’র সাথে দ্বিতীয় ঘটনা হিসেবে একত্রে টেস্টে অংশ নিয়েছেন। উভয় ইনিংস থেকে ১ রান করে পেয়েছেন। তাসত্ত্বেও পাকিস্তান দল নাটকীয়ভাবে তিন উইকেটে জয়লাভ করেছিল। এরফলে, নিজ দেশে তেরোবার প্রচেষ্টায় প্রথম ইংল্যান্ডকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়। স্বাগতিকরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

প্রথম শতক হাঁকাতে তাঁকে দুই বছর অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছিল। তবে, জাতীয় দল থেকে মূল খেলোয়াড়দের অবসর গ্রহণের পর শূন্যতা পূরণে ও প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা অর্জনের ফলে জাতীয় দলে তাঁকে ঠাঁই দেয়া হয়। অভিষেকের এক বছর পর ওডিআই দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন। ওডিআইয়ে খেলোয়াড়ী জীবনের সূচনা পর্বটি বেশ ভালোভাবে সম্পন্ন হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে অর্ধ-শতরানের সন্ধান পান। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৪ বলে ৭৫ রান তুললেও পাকিস্তান দল পরাজয়ের কবলে পড়ে।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২২ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। দলের একমাত্র ইনিংসে ৩৪৮ মিনিটে ২৪২ বল মোকাবেলান্তে ১৭টি চারের মারে ১২২ রান সংগ্রহ করেন। এটি তাঁর নিজস্ব প্রথম শতক ছিল। তবে, অশঙ্কা গুরুসিনহা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ে পর্যবসিত হলে ১-১ ব্যবধানে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

১৯৮৭ সালে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বাঁধা দেয়ার কারণে উইকেট হারান। করাচীতে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের ২৬৪ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় অগ্রসর হলে ৯৮ রানে থাকা অবস্থায় শেষ ওভারে ২৫ রানের দরকার পড়ে। বল মোকাবেলা করে দুই রান সংগ্রহকালীন ক্রিজের বেশ দূরে থেকে ব্যাট দিয়ে আটকিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে উপর্যুপরী শতক হাঁকিয়েছিলেন।

১৯৮৭ ও ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৭ সালের রিলায়েন্স বিশ্বকাপে ৭ খেলায় অংশ নিয়ে ৪৯.৮৬ গড়ে ৩৪৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তন্মধ্যে, একটি শতক ও দুইটি অর্ধ-শতক ছিল। ১১৩ রানের সেরা ইনিংস খেলেন।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী পাকিস্তান দলের অন্যতম সদস্য তিনি। চূড়ান্ত ওভারে ইমরান খানের বলে রিচার্ড ইলিংওয়ার্থের ক্যাচ মুঠোয় পুরে পাকিস্তানকে জয় এনে দেন। ৮ খেলায় অংশ নিয়ে ৫৮.১৭ গড়ে ৩৪৯ রান সংগ্রহ করেন। তন্মধ্যে, দুইটি শতক ও দুইটি অর্ধ-শতক হাঁকান। ১০২ রান তুললেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে তাঁর দল পরাজিত হয়। তবে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৯ রানের দর্শনীয় ইনিংস খেলে দলের বিজয়ে বিরাট ভূমিকার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। অধিকন্তু, ভিভ রিচার্ডসের পর দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে তিনটি শতক হাঁকানোর কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। তবে, ভিভ রিচার্ডসের ১৯টি খেলার তুলনায় তিনি ১৩ খেলায় অংশ নিয়ে এ সাফল্য পান।

১৯৯০-৯১ মৌসুমে নিজ দেশে মার্টিন ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১৮ অক্টোবর, ১৯৯০ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৩২ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ৪৮ ও ১১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ওয়াকার ইউনুসের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৯২-৯৩ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জাভেদ মিয়াঁদাদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী  দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২ জানুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ওয়াসিম আকরামের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩৩ রানে পরাজিত হয়।

১৯৯০-এর দশকের শেষদিকে পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। দলের প্রতি আনুগত্যবোধ ও জ্যেষ্ঠতার বিষয় বিবেচনায় এনে খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে এ মর্যাদায় অভিষিক্ত হন। দায়িত্ব পালনের মাঝামাঝি সময়ে পাতানো খেলার অভিযোগে দোষী দলটিকে নিয়ে ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করেন। এ প্রসঙ্গে পরবর্তীকালে মন্তব্য করেন যে, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড স্বচ্ছ পরিবেশ, নিষ্কলুষ সাজঘর চেয়েছেন। খেলোয়াড়েরা কেবলমাত্র ক্রিকেট খেলার দিকেই মনোনিবেশ ঘটাক। এ সময়ে সত্যিকার অর্থেই ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করেছি। প্রত্যেকেই খেলাকে বেঁচার দিকে অঙ্গুলী হেলন করেছে ও এ ধরনের ব্যক্তিদের কিনে নিয়েছে।’

পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠ ও মাঠের বাইরে পাকিস্তানী ক্রিকেটে তাঁর ন্যায় ব্যক্তিত্ব খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন বিষয়। মজিদ খানের পর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর আবির্ভাব ঘটে। বেশ খাঁটিমানসম্পন্ন ও দৃষ্টিনন্দন ছিল তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন। তবে, কেন তিনি টেস্টে রানের ফুলঝুঁড়ি ছোটাতে পারেননি তা বেশ রহস্যপূর্ণ বিষয় ছিল।

দলীয় সঙ্গীদের বেশ কয়েকজন খেলা গড়াপেটায় জড়িয়ে পড়লেও সৌভাগ্যবশতঃ তিনি এর বাইরে থাকেন। জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ওয়াসিম রাজা পাকিস্তানে জনপ্রিয় খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণকালীন জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করছিলেন। হানিফ মোহাম্মদ, মুশতাক মোহাম্মদ, ওয়াজির মোহাম্মদসাদিক মোহাম্মদের পর পাকিস্তানের পক্ষে একত্রে ভাইয়ের সাথে খেলেছেন। অপর ভ্রাতা জাঈম রাজাসহ পিতা সেলিম আখতার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

পরিসংখ্যানগতভাবে টেস্ট দলে থেকে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি। অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো থেকে মাত্র দুইটি শতক ও ২২টি অর্ধ-শতরান সহযোগে ৩১.৮৩ গড়ে রান পেয়েছেন। ঐ দুইটি শতক শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে করেছিলেন। তাসত্ত্বেও, টেস্টের সাথে তুলনান্তে ওডিআইয়ে অধিক সফলতা পেয়েছিলেন। ১৯৮০-এর দশক থেকে ১৯৯০-এর দশকের সূচনাকাল পর্যন্ত তাঁর ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওডিআইগুলো থেকে ৯ শতক ও ৩১টি অর্ধ-শতক সহযোগে ৩২.৯৮ গড়ে রান তুলেছেন।

৩৫ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে দলের অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে পাকিস্তানী দলকে নিয়ে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৭ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ৩৬ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, অরবিন্দ ডি সিলভা’র জোড়া শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ভারতের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে সর্বশেষ খেলায় অংশ নেন। ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে টরন্টোয় অনুষ্ঠিত ওডিআইয়ে গোল্ডেন ডাকে বিদেয় নেন। তাসত্ত্বেও তাঁর দল ১০ উইকেটে বিজয়ী হয়েছিল। অবসর গ্রহণের পরও তিনি তাঁর সহজাত গুণাবলী বিচ্ছুরণের সুযোগ পান। ২২টি ওডিআইয়ে নেতৃত্ব দেয়ার পর লাহোরভিত্তিক এইচসন কলেজ থেকে এমবিএ ডিগ্রীধারী হন। ২০০৩ সালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রথম সিইও হিসেবে মনোনীত হলে স্বীয় নেতৃত্বের যোগ্যতার পরিচয় দেন। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ক্রিকেটীয় পরিবেশ গড়তে দারুণ ভূমিকা রাখেন। এ সিরিজের কারণে উভয় দেশকে মর্যাদাসম্পন্ন লরিয়াস পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ১৫ বছর বিরতির পর ২০০৪ সালে পাকিস্তান দলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সফর সফলতার সাথে সম্পাদন করেন। ঐ বছরই এ দায়িত্ব ছেড়ে দেন। তারপর থেকে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

Similar Posts

  • |

    নাঈম ইসলাম

    ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে গাইবান্ধায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী বিভাগ ও রংপুর বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, চিটাগং কিংসের পক্ষে খেলেছেন।…

  • |

    ধ্রুব জুরেল

    ২১ জানুয়ারি, ২০০১ তারিখে উত্তরপ্রদেশের আগ্রা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। ভারতের পক্ষে টেস্ট ও টি২০আই ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০২১-২২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে উত্তরপ্রদেশ ও বহিঃভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, রাজস্থান রয়্যালস ও ভারত ‘এ’ অনূর্ধ্ব-১৯…

  • |

    শামসুর রহমান

    ৫ জুন, ১৯৮৮ তারিখে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-পেস বোলিংয়ে দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। ২০১০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘শুভ’ ডাকনামে পরিচিতি পান। ২০০৫ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে মধ্যাঞ্চল, ঢাকা বিভাগ ও ঢাকা…

  • |

    হরভজন সিং

    ৩ জুলাই, ১৯৮০ তারিখে পাঞ্জাবের জলন্ধরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে অবদান রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। সরদার সরদেব সিং প্লাহা ও অবতার কৌর দম্পতির সন্তান ছিলেন। ভারতের অন্যতম সেরা অফ-স্পিনারের মর্যাদা পেয়েছেন।…

  • | | | |

    রিচি রিচার্ডসন

    ১২ জানুয়ারি, ১৯৬২ তারিখে অ্যান্টিগুয়ার ফাইভ আইল্যান্ডস ভিলেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, রেফারি ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ব্যাটিং করতেন। ব্যাটিংকালে হেলমেটের পরিবর্তে গাঢ় তাম্রবর্ণের সৌর টুপি পরিধান করে খেলতে নামতেন। অটোস কম্প্রিহেনসিভ…

  • | |

    অ্যান্ড্রু গ্রীনউড

    ২০ আগস্ট, ১৮৪৭ তারিখে ইয়র্কশায়ারের কাউমস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডিপ অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ১৮৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। লড়াকু মানসিকতার অধিকারী ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁর বেশ সুনাম ছিল। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে…