২৩ ডিসেম্বর, ১৯৭৭ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। কলম্বোভিত্তিক নালন্দা কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৯৪ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৭ দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। নালন্দা কলেজে অধ্যয়নকালে বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিতভাবে রান সংগ্রহ করতেন। নিজস্ব প্রথম ক্লাব এসএসসি’র পক্ষে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের খেলায় মাহেলা জয়াবর্ধনে’র সাথে ৩৮৭ রানের জুটি গড়েছিলেন।
২০০৪-০৫ মৌসুমে অনেকটা বিস্ময়করভাবে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্যে মনোনীত হয়েছিলেন। তবে, শ্রীলঙ্কার ঐ সফরটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। ডানহাতে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন ও ঘরোয়া ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ২০১৩-১৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বাসনাহিরা নর্থ, ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব, কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব, মুরস স্পোর্টস ক্লাব, নর্থ সেন্ট্রাল প্রভিন্স, সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
অন্যান্য উদীয়মান ব্যাটসম্যানকে সুযোগ দেয়া হলে সাধারণমানের কিংবা ব্যর্থতার প্রতিচিত্র তুলে ধরলেও তিনি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ঠিকই ক্রমাগত রান সংগ্রহ করতে থাকেন। দুই মৌসুমে আটটি শতক হাঁকিয়েছিলেন। ২০০৩-০৪ মৌসুমের প্রিমিয়ার লীগে সেরা ব্যাটসম্যানের মর্যাদা লাভ করেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমে কলম্বো কোল্টস ও নর্থ ওয়েস্ট প্রভিন্সের পক্ষে প্রায় আটশত রান সংগ্রহ করেন।
ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ মার্চ, ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে তৎপর হন। এনসিসিতে সিরিজের দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক টেস্টে ১৭৭ বলে ৮৩ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। ফলশ্রুতিতে, দল নির্বাচকমণ্ডলী তাঁকে জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানায়।
২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমে মারভান আতাপাত্তু’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১১ এপ্রিল, ২০০৫ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সুযোগ কাজে লাগাতে মাঠে নামেন। কিন্তু, স্বাচ্ছন্দ্যবিহীন সাত নম্বর অবস্থানে নামলেও উভয় ইনিংসেই ব্যর্থতার স্বাক্ষর রাখেন। ৭ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ল্যু ভিনসেন্টের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৮ রানে জয় পেলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
