১৯ অক্টোবর, ১৮৬৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মুসৌরীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
নিজের সময়কালে ভ্রমণের বিষয়টি সহজ না হলেও তিনি বৈশ্বিক পর্যটক ছিলেন। ভারতে জন্মগ্রহণ করেন, পড়াশুনো ইংল্যান্ডের চেল্টেনহামে সম্পন্ন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ক্রিকেট খেলেন ও অস্ট্রেলিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন। দর্শনীয় ভঙ্গীমায় ব্যাটিং করতেন। ১৮৯১-৯২ মৌসুম থেকে ১৮৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯২-৯৩ মৌসুমে ৩৯.২০ গড়ে রান তুলে কারি কাপে প্রথম প্রচেষ্টায় ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন।
১৮৯২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৯১-৯২ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়াল্টার রিডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৯ মার্চ, ১৮৯২ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ক্লারেন্স উইম্বল, চার্লস ফিশার্ট, চার্লস মিলস, দান্তে পার্কিন, বার্বার্টন হলিওয়েল, ফ্লুই ডু টোইট ও টমি রুটলেজের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১৮ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ইনিংস ও ১৮৯ রানে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৮৯৪ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড সফরে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সহঃঅধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। এ সফরে ১৪.৫৯ গড়ে ৩৯৪ রান তুলেন।
২৭ জুলাই, ১৯৪৩ তারিখে অ্যাডিলেডের কাছাকাছি এলাকায় ৭৭ বছর ২৮১ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
