১১ নভেম্বর, ১৯৮২ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। বামহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০১৪-১৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর, লাহোর ঈগলস, লাহোর লায়ন্স, লাহোর হোয়াইটস, পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড, রেডকো পাকিস্তান লিমিটেড ও জারাই তারাকিয়াতি ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
২০০৪ থেকে ২০০৫ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০৩-০৪ মৌসুমে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অংশ নেয়ার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান দলের প্রাথমিক তালিকায় ঠাঁই পান। এর পূর্বে মাত্র ছয়টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। পূর্ববর্তী মৌসুমে ঐ ছয় খেলার তিনটি থেকে ১৪ উইকেট দখল করেছিলেন। তবে, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাননি।
২০০৪-০৫ মৌসুমে শক্তিধর অজি দলের বিপক্ষে অভিষেকের কথা জানতে পেরে বেশ গভীর সঙ্কটে পড়ে গিয়েছিলেন। ঐ মৌসুমে ইনজামাম-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ১৬ ডিসেম্বর, ২০০৪ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/৫৯ ও ০/৩৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জাস্টিন ল্যাঙ্গারের অসামান্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪৯১ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
২০০৪-০৫ মৌসুমে ইনজামাম-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ভারত গমন করেন। ১৬ মার্চ, ২০০৫ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ০/৩৯ ও ০/৬৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, রাহুল দ্রাবিড়ের জোড়া শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৯৬ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
অংশগ্রহণকৃত দুই টেস্ট থেকে কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। ওভারপ্রতি চার রানের অধিক খরচ করে ফেলেন। ফলশ্রুতিতে দল থেকে বাদ পড়েন। একই সফরে ৩০ জানুয়ারি, ২০০৫ তারিখে পার্থে একই দলের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। তিনটি ওডিআইয়ে অংশ নিয়ে সর্বমোট ৫ উইকেট পান। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও ব্রায়ান লারা’র ন্যায় তারকা খেলোয়াড় এতে যুক্ত ছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো, তিনি পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০১০-১১ মৌসুমের কায়েদ-ই-আজম ট্রফি প্রতিযোগিতায় দূর্দান্ত খেলেন। ফলশ্রুতিতে, পুণরায় জাতীয় দলে খেলার জন্যে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটার প্রায় ছয় মৌসুম পর ২০১১-১২ মৌসুমে বাংলাদেশ গমনার্থে তাঁকে আঘাতপ্রাপ্ত সিমার জুনায়েদ খানের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল। তবে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরবর্তী সিরিজেই তাঁকে আবারও বাদ দেয়া হয়।
