৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮২ তারিখে স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ট্রান্সভাল দলে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ১৯০৬-০৭ মৌসুম থেকে ১৯১২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। এ মৌসুমেই ট্রান্সভালের পক্ষে কারি কাপের খেলাগুলোয় প্রথম অংশ নেন। চার মৌসুম বাদে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে তাঁকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তবে, পার্সি শারওয়েলের দাপটে কোন টেস্টে খেলারই সুযোগ পাননি।
১৯১০ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯০৯-১০ মৌসুমে নিজ দেশে হেনরি লেভসন-গাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৯১০ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। মিক কোমেইল, বিলি জাল্ক ও লুইস স্ট্রিকারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৮* ও ৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। সফরকারীরা ১৯ রানে পরাভূত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
ব্যাটসম্যান হিসেবে তেমন সুবিধের ছিলেন না। তাসত্ত্বেও, ডারবানে অনুষ্ঠিত টেস্টে ৪৮ রানের সন্ধান পেয়েছিলেন। তবে, উইকেট-রক্ষক হিসেবেই দলে অধিক ভূমিকা রাখেন। এ সিরিজে চার টেস্টে অংশ নেন ও দলের রাবার বিজয়ে সবিশেষ অবদান রাখেন।
১৯১২ সালে ফ্রাঙ্ক মিচেলের অধিনায়কত্বে স্প্রিংবকের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। সেরা ছন্দে অবস্থান করলেও ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতার একটিমাত্র খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ১০ জুন, ১৯১২ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০* ও ৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৬২ রানে জয় পায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৬ ডিসেম্বর, ১৯১৬ তারিখে জোহানেসবার্গ থেকে ছেড়ে আসা কেপ মেইল থেকে পড়ে যান। অচেতন অবস্থায় মালবাহী ট্রেনের চালক তাঁকে দেখতে পান। মাথায় আঘাত পান ও ক্রুজারডর্প হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হন। কিছু সময় তিনি সুস্থ হবেন কি-না তা-ই সন্দেহ ছিল।
৫ অক্টোবর, ১৯২৪ তারিখে নাটালের মিনডেল রেলওয়ে সিডিং এলাকায় মাত্র ৪২ বছর ২৩৯ দিন বয়সে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। ঐদিন প্রত্যুষে রেল দূর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন।
