|

চামিকা করুণারত্নে

২৯ মে, ১৯৯৬ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

কলম্বোভিত্তিক রয়্যাল কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য ক্রীড়ায় দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে বর্শানিক্ষেপে চ্যাম্পিয়ন ছিলেন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাডমিন্টনে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ তারিখে কলম্বোয় অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে প্রথম যুবদের ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার পূর্বে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র কাছ থেকে ক্যাপ গ্রহণ করেন।

২০১৫-১৬ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১৫-১৬ মৌসুমের প্রিমিয়ার লীগ টুর্নামেন্টে অংশ নেন। ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে কলম্বোর পিএসএসে অনুষ্ঠিত তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০১৭-১৮ মৌসুমের সুপার ফোর প্রভিন্সিয়াল টুর্নামেন্টকে ঘিরে মার্চ, ২০১৮ সালে ক্যান্ডি দলের সদস্যরূপে নামাঙ্কিত হন। আগস্ট, ২০১৮ এসএলসি টি২০ লীগে ক্যান্ডি দলের সদস্য হন। একই মাসে ২০১৮ সালের এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ৩১-সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় শ্রীলঙ্কা দলে রাখা হয়। ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে এসিসি এমার্জিং টিমস এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা দলের সদস্য হন।

২০১৯ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আই ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ২০১৮-১৯ মৌসুমে দিনেশ চণ্ডীমলের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। জানুয়ারি, ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলার উদ্দেশ্যে তাঁকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চামিরা ও কুমারা’র আঘাতের কারণে দেশে ফেরৎ পাঠানো হলে তিনি খেলার সুযোগ পান। ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে ক্যানবেরায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার সদস্যরূপে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১/১৩০ ও ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ২২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। মিচেল স্টার্কের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩৬৬ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

মার্চ, ২০১৯ সালে সুপার প্রভিন্সিয়াল ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে কলম্বো দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। ২১ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

Similar Posts

  • |

    সুজীবা ডি সিলভা

    ৭ অক্টোবর, ১৯৭৯ তারিখে বেরুওয়ালায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বামহাতে সুইং বোলিং করে থাকেন। ২০০০ সালে অনূর্ধ্ব-২৩ প্রিমিয়ার ট্রফি প্রতিযোগিতায় সকলের সমক্ষে তাঁর প্রতিভা উন্মোচিত হয়। এক মৌসুমে সর্বাধিক উইকেট লাভের নতুন লীগ…

  • | |

    আলফ্রেড ডিপার

    ৯ নভেম্বর, ১৮৮৫ তারিখে গ্লুচেস্টারশায়ারের অ্যাপার্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৮ থেকে ১৯৩২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • | | |

    ওমর হেনরি

    ২৩ জানুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে কেপ প্রভিন্সের স্টেলেনবশ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পিতা-মাতা ও ছয় ভাই-বোনকে একটি কক্ষে গাদাগাদি অবসর শৈশবকাল অতিবাহিত করেছেন। ১৯৭৩-৭৪ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪…

  • | |

    জাস্টিন অনটং

    ৪ জানুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পার্ল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পরবর্তীতে অফ-স্পিন বোলিং রপ্ত করেন। এরফলে, নিজেকে আরও কার্যকর ক্রিকেটারে পরিণত করেন। ‘রোডি’ ডাকনামে…

  • | |

    নাজির আলী

    ৮ জুন, ১৯০৬ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। আগ্রাসী ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে বলকে বেশ জোড়ালোভাবে আঘাত করতেন, মিডিয়াম-পেস বোলিং করতেন ও দূর্দান্তভাবে ফিল্ডিং করতেন। অল-রাউন্ডার হিসেবে খেললেও…

  • | |

    রমেশ কালুবিতরানা

    ২৪ নভেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলছেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ক্ষুদ্রাকায় গড়নের অধিকারী তিনি। ‘কালু’ ডাকনামে পরিচিতি পান। সীমিত-ওভারের খেলায় ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ণে নিজেকে স্মরণীয় করে রেখেছেন। এ পর্যায়ে বোলারদের উপর চড়াও হতেন, সর্বশক্তি প্রয়োগে দলের রানকে স্ফীততর করার…