১ নভেম্বর, ১৯৬৪ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব ও নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৮৬ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে নিজ দেশে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৪ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে কলম্বোর সিসিসিতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ডন অনুরাসিরি ও রোশন মহানামা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। বোলার হিসেবে অভিষেক পর্বটি বেশ দূর্দান্তভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। বামহাতি মিডিয়াম-পেস বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়ে দীর্ঘদিনের স্বপ্নের সূচনা করেন। প্রথম ইনিংসে দূরন্ত বোলিংশৈলী প্রদর্শন করে ৫/৪৪ লাভ করে পাকিস্তানের ব্যাটিংস্তম্ভ গুড়িয়ে দেন। এরপর, দ্বিতীয় ইনিংসে আরও দুই উইকেট নিয়ে রবি রত্নায়েকে’কে বিরাট সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন। এরফলে, পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম বিজয়ে অংশ নেন। তবে, অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। আঘাতের কারণে ঐ সিরিজের চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
এরপর, ১৬ এপ্রিল, ১৯৮৭ তারিখে কলম্বোর সিসিসিতে অনুষ্ঠিত অংশগ্রহণকৃত অপর টেস্টে জেফ ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। কিন্তু, ঐ টেস্টটি পরিত্যক্ত সিরিজের অংশ ছিল।
