১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫ তারিখে কেপ প্রভিন্সের ইস্ট লন্ডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
মাঝারিসারিতে নির্ভরযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বোল্যান্ড ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন।
১৯৯৪ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজ দেশে কেন রাদারফোর্ডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। স্টিভেন জ্যাকের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩০ ও ৪৫ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। ফ্যানি ডি ভিলিয়ার্সের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সমতা আনতে সক্ষম হয়।
একই মৌসুমে নিজ দেশে সেলিম মালিকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৯ জানুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেন। খেলায় তিনি ১৩ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ফ্যানি ডি ভিলিয়ার্সের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২৪ রানে জয় পায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকা দলের তিন নম্বর অবস্থানে নিজেকে বেশ মানিয়ে নিয়েছিলেন। তবে, কুঁচকির সমস্যায় তাঁকে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়। এক পর্যায়ে রানার নিয়ে খেলতে হয় ও রান-আউটের শিকারে পরিণত হন। শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও বয়সের ভারে ন্যূহ হয়ে পড়েন। তবে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স ও সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে বোল্যান্ড দলে বেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে খেলতে থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। এম কামিন্স নামীয় সন্তানের জনক।
