২২ মে, ১৯২৭ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ফুটসক্রে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়া দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সব মিলিয়ে ১৯টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তিন শতক সহযোগে ৩৫ গড়ে রান তুলেছিলেন।
১৯৫২ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৫১-৫২ মৌসুমে নিজ দেশে জেফ্রি স্টলমেয়ারের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৫ জানুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। রিচি বেনো ও কলিন ম্যাকডোনাল্ডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক হয়। মেলবোর্নভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে জর্জ থমস ও কলিন ম্যাকডোনাল্ড একত্রে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামতেন। কাকতালীয়ভাবে এসসিজিতেও তাঁরা ইনিংস উদ্বোধনে নেমেছিলেন। ১৬ ও ২৮ রান তুলেছিলেন। স্বাগতিকরা ২০২ রানে জয় পেলে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। ঐ মৌসুম শেষে ২৭ বছর বয়সে খেলার জগৎ থেকে অবসর নেন।
ক্রিকেটের বাইরে ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ ছিলেন। ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে লেজার সার্জারিতে অস্ট্রেলিয়ার পথিকৃৎ ছিলেন। ধর্মযোদ্ধা, শরীর গঠনকারী, চিকিৎসক ও বুদ্ধিজীবীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া পদকে ভূষিত হন। ২৯ আগস্ট, ২০০৩ তারিখের সকালে ভিক্টোরিয়ার মেলবোর্নে ৭৬ বছর ১৬০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। মৃত্যুর এক সপ্তাহ পূর্বে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট আয়োজিত প্রায় দুইশত জীবিত অস্ট্রেলীয় টেস্ট ক্রিকেটারদের পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা জিম ফুটস্ক্রে’র পক্ষে ফুটবল খেলতেন।
