১২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯১ তারিখে ট্রান্সভালের পচেফস্ট্রুম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা পালন করেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
অফ-স্পিনের আদলে প্রায় মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে-পিছে ১৯১২-১৩ মৌসুম থেকে ১৯২৪-২৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। নিজস্ব চারটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ থাকা অবস্থায় বিস্ময়করভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরূপে ঠাঁই পান। ঐ মৌসুমের পূর্ববর্তী দুই খেলায় ১৪৭ রান খরচায় চার উইকেট দখল করেছিলেন। তন্মধ্যে, সফররত ইংরেজ একাদশের বিপক্ষে ১০ দিন পূর্বে ২/৯২ পেয়েছিলেন।
১৯১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯১৩-১৪ মৌসুমে নিজ দেশে জনি ডগলাসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৯১৪ তারিখে জোহানেসবার্গের ওল্ড ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে অংশ নেন। লেন টাকেটের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি জোড়া শূন্য লাভ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৬২ পান। বোলিং উদ্বোধন করে জ্যাক হবস ও জ্যাক হার্নের উইকেট পান। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ১/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ টেস্টে সফরকারীরা ৯১ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
যুদ্ধ শেষ হলে ১৯২৪ সালে দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। এ সফরে ২৬.৭১ গড়ে ৩২ উইকেট দখল করলেও কোন টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। এ সফর শেষে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে ট্রান্সভালের ইলোভো এলাকায় ৭৮ বছর ২০৯ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
