|

বেন সিয়ার্স

১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে ওয়েলিংটনের লোয়ার হাট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

পিতা মাইকেল সিয়ার্স ওয়েলিংটনের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, কাকা ডিভি সিয়ার্স প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন। হাট ইন্টারন্যাশনাল বয়েজ স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯, ওয়েলিংটন অনূর্ধ্ব-১৭ ও ওয়েলিংটন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন। রচিন রবীন্দ্রের ন্যায় তিনিও হাট ভ্যালিতে কিশোর অবস্থায় ক্রিকেটের দিকে ঝুঁকে পড়েন। বয়সভিত্তিক স্তরে অংশ নেন। হাট ভ্যালি ডিস্ট্রিক্টস ক্লাবের সদস্য হন। ২০১৬ সালে গ্লেন ফিলিপস, ফিন অ্যালেন ও জোশ ক্লার্কসনের সাথে তিনি নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলে যুক্ত হন। ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে হ্যামিল্টনে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

গড়পড়তা ঘণ্টাপ্রতি ১৪০ কিলোমিটার গতিবেগে বোলিং করে থাকেন। ১৩ বছর বয়সে ওয়েলিংটন দলের প্রধান কোচ গ্লেন পকনল প্রথম তাঁকে চিত্রিত করেন। বিদ্যালয় ক্রিকেটে ক্ষীপ্রগতির পেস বোলিং তাঁকে মুগ্ধ করে। এক খেলায় পাঁচ ওভারে চারবার স্ট্যাম্পে আঘাত করেন। এভাবেই ফাস্ট বোলার হিসেবে তাঁর পেশাদারী জীবন শুরু হয়। টি২০ ক্রিকেটে তিনি বলে বৈচিত্র্য আনয়ণে পারঙ্গমতা প্রদর্শন করেন।

২০২১-২২ মৌসুম থেকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আই খেলছেন। ২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজ দেশে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের পূর্বে উইল ও’রোর্ক হাঁটুর আঘাতের কবলে পড়লে তিনি খেলার সুযোগ পান। কোচ গ্যারি স্টিডের কাছ থেকে ফোনের মাধ্যমে এ সংবাদ অবগত হন। ৮ মার্চ, ২০২৪ তারিখে ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলে ওভালে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৭১ ও ৪/৯০ লাভ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে উভয় ইনিংসে শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে, অ্যালেক্স ক্যারি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

Similar Posts

  • | | |

    নামি ডিন

    ২১ জুলাই, ১৮৯৫ তারিখে জুলুল্যান্ডের এশোই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন ও কার্যকর বোলিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, দক্ষ ফিল্ডার হিসেবেও যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছিলেন। পয়েন্ট, সিলি-পয়েন্ট, মিড-অন ও শর্ট-লেগের ন্যায় কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করতেন। আকর্ষণীয় ধাঁচে ব্যাটিং করতেন। উইকেটে…

  • |

    চার্লস রাইট

    ২৭ মে, ১৮৬৩ তারিখে ইয়র্কশায়ারের হেয়ারউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণ কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। হেয়ারউডে জন্মগ্রহণ করলেও শিশুকালে পিতা-মাতার সাথে ওলেটন এলাকায় চলে যান। চার্টারহাউজে অধ্যয়ন করেন। এখানেই তাঁর মাঝে ব্যাটসম্যান ও উইকেট-রক্ষক – উভয় বিভাগেই প্রতিশ্রুতিশীলতা লক্ষ্য করা যায়। ১৮৭৯ থেকে ১৮৮১…

  • |

    সাব্বির রহমান

    ২২ নভেম্বর, ১৯৯১ তারিখে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ প্রকৃত মানসম্পন্ন মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। পাশাপাশি, দূর্দান্ত ফিল্ডিং করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ও ‘রুমন’ ডাকনামে পরিচিতি পান। পরিবারের শত বাঁধাকে পাশ কাটিয়ে ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শহীদ আফ্রিদি’র…

  • |

    স্কট কাগেলিন

    ৩ জানুয়ারি, ১৯৯২ তারিখে হ্যামিল্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। বোলিংয়ের দিকেই অধিক দৃষ্টিপাত ঘটান। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিশৈলী প্রদর্শন করেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১১-১২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটন ও নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, চেন্নাই সুপার কিংস ও…

  • |

    টম বার্ট

    ২২ জানুয়ারি, ১৯১৫ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ স্পিন বোলারের মর্যাদা পেয়েছিলেন। শক্ত মজবুত ও গড়পড়তা উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। ওয়াল্টার হ্যাডলি’র সাথে আজীবন বন্ধুত্ব গড়ে…

  • | | |

    জন রাইট

    ৫ জুলাই, ১৯৫৪ তারিখে ক্যান্টারবারির ডারফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। দলে তিনি মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানরূপে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সকল ধরনের স্ট্রোক খেলায় পারদর্শী ছিলেন। মানসিক দৃঢ়তা ও আপোষহীনতার কারণে সর্বোচ্চ স্তরের ক্রিকেটে সফলতার সন্ধান পেয়েছেন। যে-কোন ধরনের বল মোকাবেলায় ভারসাম্য রক্ষার কৌশল…