|

রোল্যান্ড বিউমন্ট

৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৪ তারিখে নাটালের নিউক্যাসল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

সহজাত প্রকৃতির স্ট্রোকপ্লে মারার অধিকারী ছিলেন। তবে, বড় আসরের ক্রিকেটে নিজেকে সঠিকভাবে মেলে ধরতে পারেননি। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৮-০৯ মৌসুম থেকে ১৯১৩-১৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।

১৯১২ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯১২ সালের ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ফ্রাঙ্ক মিচেলের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৭ মে, ১৯১২ তারিখে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে অংশ নেন। টমি ওয়ার্ড, জেরাল্ড হার্টিগানহার্বি টেলরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩১ ও ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ৮৮ রানে পরাজয়বরণ করে।

পরবর্তীতে ঐ গ্রীষ্মে ও ১৯১৩-১৪ মৌসুমে অপর সাত ইনিংস থেকে মাত্র ২২ রান যুক্ত করতে পেরেছিলেন। ঐ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিজ দেশে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জনি ডগলাসের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ১৯১৩ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ১২ রানে পরাজিত হলে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ১ জানুয়ারি, ১৯১৪ তারিখে জোহানেসবার্গের ওল্ড ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৬ ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ঐ টেস্টে সফরকারীরা ৯১ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২৫ মে, ১৯৫৮ তারিখে নাটালের বেরিয়া এলাকায় ৭৪ বছর ১১০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    জেমস সাউদার্টন

    ১৬ নভেম্বর, ১৮২৭ তারিখে সাসেক্সের পেটওর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৮৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সাসেক্সের পেটওর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণের পরের বছরই তাঁর পরিবার মিচামে চলে যায়। পিতা ১৮৪১ সালে মারা যান ও সেন্ট পিটার এন্ড পল চার্চে তাঁকে সমাহিত করা হয়। মাতা শার্লট ১৮৫১…

  • | | |

    খালেদ মাহমুদ

    ২৬ জুলাই, ১৯৭১ তারিখে ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সহজাত প্রতিভার অধিকারী না হয়েও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। বোলিংয়ে মনোনিবেশ ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে ব্যাটসম্যানদের কাছে বিস্ময়াকারে পরিচিতি ঘটাতেন। অধিনায়ক…

  • | | | |

    বব সিম্পসন

    ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের মারিকভিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, কোচ ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক ও গুগলি বোলিংয়ের পাশাপাশি মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুম থেকে ১৯৭৭-৭৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের…

  • | |

    ব্রায়ান হ্যাস্টিংস

    ২৩ মার্চ, ১৯৪০ তারিখে ওয়েলিংটনের আইল্যান্ড বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫৭-৫৮ মৌসুম থেকে ১৯৭৬-৭৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি, সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস ও ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব…

  • | |

    কুইন্টন ডি কক

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজস্ব ২১তম জন্মদিনের পূর্বেই অনেক ক্রিকেটারের তুলনায় খেলোয়াড়ী জীবনে অনেকগুলো অর্জনের সাথে নিজেকে জড়িয়েছেন। শুধুমাত্র স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান করে দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ…

  • |

    ডেভিড সিউয়েল

    ২০ অক্টোবর, ১৯৭৭ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকের শেষদিকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ২০০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওতাগোর পক্ষাবলম্বন করেছেন। ২১৮টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট লাভের পাশাপাশি লিস্ট-এ ক্রিকেটে ২৫টি উইকেট…