১৮ এপ্রিল, ১৯৯৬ তারিখে মারাভিলা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক কিংবা স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, বামহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী তিনি। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।
মাউন্ট লাভিনিয়াভিত্তিক সেন্ট থমাস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৫-১৬ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব, তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট এন্ড অ্যাথলেটিক ক্লাব, সেবাস্টিয়ানটেস ক্রিকেট এন্ড অ্যাথলেটিক ক্লাব ও কলম্বোর পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, কলম্বো কিংস, ডাম্বুলা অউরা, শ্রীলঙ্কা ‘এ’ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ডেভেলপম্যান্ট একাদশের পক্ষে খেলেছেন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কা আর্মি বনাম সিংহলীজের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
১৫ জুন, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টকে ঘিরে ছয়জন টেস্ট প্রত্যাশী খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে তাঁকে রাখা হয়। ২৯ বছর বয়সী থারিন্ডু রত্নায়েকে ঘরোয়া ক্রিকেটসহ শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের পক্ষে দূর্দান্ত খেলেন। বামহাতে স্পিন বোলিংয়েই তিনি সফল হয়েছেন। তবে, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়েও নিখুঁততার পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে দারুণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন।
২০২৫ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ঐ বছর নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ১৭ জুন, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। প্রসঙ্গতঃ এটিই অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের সর্বশেষ টেস্ট ছিল। লাহিরু উদারা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঘটনাবহুল এ টেস্টে ১৫.৫ ওভার অফ-স্পিন বোলিং করার পর টেস্ট ক্রিকেটে তিনি প্রথমবারের মতো লেফট-আর্ম স্পিন বোলিং করেন। খেলা শুরুর এক ঘণ্টা পর দুইবার উইকেট পান। খেলায় তিনি ৩/১৯৬ ও ৩/১০২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে নাঈম হাসানের বলে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়কের মনোমুগ্ধকর জোড়া শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
একই সফরের ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৭২ ও ২/১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ১০ রান সংগ্রহ করেন। তবে, পথুম নিসাঙ্কা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৭৮ রানে পরাভূত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
