|

প্রভাত জয়সুরিয়া

৫ নভেম্বর, ১৯৯১ তারিখে মাতালে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

মাতালেভিত্তিক ক্রাইস্টচার্চ কলেজ ও কলম্বোভিত্তিক লাম্বিনি কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১১-১২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব ও সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ডাম্বুলা, গল, জাফনা স্ট্যালিয়ন্স ও ক্যান্ডির পক্ষে খেলেছেন। ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখে কলম্বোর সিসিসিতে অনুষ্ঠিত কুরুণেগালা ওয়াই বনাম কোল্টস সিসি’র মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। দলে তাঁর উত্থান খুব সহজে ঘটেনি।

২০১৮ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১ আগস্ট, ২০১৮ তারিখে ডাম্বুলায় অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করেন। তবে, এরপর দল থেকে বাদ পড়েন। দলে ফিরতে তাঁকে আরও তিন বছর অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়। এবার তিনি টেস্ট দলে ঠাঁই পান। এ পর্যায়ে তিনি ৬২টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ২৫.৬১ গড়ে ২৩৪ উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন। সুযোগ নষ্ট হতে দেননি। নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। বল হাতে নিয়ে অবিশ্বাস্য রেকর্ডের সাথে নিজেকে জড়ান।

প্রথম তিন টেস্ট থেকে ২৯ উইকেট দখল করেন। এ পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের বিপক্ষে বিজয়ে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন। ২০২২ সালে নিজ দেশে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৩০ বছর বয়সে ৮ জুলাই, ২০২২ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। মহেশ থিক্সানা ও কামিন্ডু মেন্ডিসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় ৬/১১৮ ও ৬/৫৯ নিয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে শ্রীলঙ্কা দলকে সমতায় আনেন। অভিষেক টেস্টে ১২ উইকেট নিয়ে যে-কোন শ্রীলঙ্কান বোলারের সাফল্যের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। তাঁর মারাত্মক বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ৩৯ রানে পরাজিত হয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

ঐ একই মাসে নিজ দেশে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেও একাধিপত্য বজায় রাখেন। ২০২২ সালে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৬ জুলাই, ২০২২ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ৩ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৫/৮২ ও ৪/১৩৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, আব্দুল্লাহ শফিকের অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৪ জুলাই, ২০২২ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৩/৮০ ও ৫/১১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৪৬ রানে জয় পায়। দুই খেলা থেকে ১৭ উইকেট দখল করেন। সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে ড্রয়ে পরিণত হয়। তিনি ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন। এরফলে টেস্ট অভিষেকের পর থেকে মাত্র তিন টেস্ট থেকে চারবার পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্বের অধিকারী হন। ফলশ্রুতিতে, শ্রীলঙ্কার নতুন জাতীয় বীরে পরিণত হন। টেস্ট ক্রিকেটে উপর্যুপরী সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ আইসিসি কর্তৃক মাসের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে দিমুথ করুণারত্নে’র নেতৃত্বে থেকে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হন। ২৪ এপ্রিল, ২০২৩ তারিখ থেকে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের চূড়ান্ত টেস্টে দারুণ খেলেন। গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে নিজস্ব প্রথম দ্বি-শতরানের ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, এ মাঠে যে-কোন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ। ৩৫৪ মিনিটে ২৯১ বল মোকাবেলা করে ২৪৫ রান তুলে জিআই হিউমের বলে অভিষেক ঘটা এমজে হামফ্রেসের কটে বিদেয় নেন। ১৮টি চার ও ১১টি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান। তন্মধ্যে, ১৭৬ বল থেকে কোন রান তুলেননি। এরফলে পূর্বেকার ১৯৬ রানকে পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান তুলেন। এ পর্যায়ে দ্বিতীয় উইকেটে নিশান মাদুষ্কা’র (১১৫) সাথে ২৬৮ ও তৃতীয় উইকেটে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের (১০০*) সাথে ১৩৩ রান তুলেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ১০ রানে জয়লাভ করে এবং ২-০ ব্যবধানে রাবার জয় করে নেয়।

২০২৩-২৪ মৌসুমে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ গমন করেন। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে অংশ নেন। ২২ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সিলেটে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে মোটেই সুবিধে করতে পারেননি। ১ ও ২৫ এবং বল হাতে নিয়ে কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। তাসত্ত্বেও, সফরকারীরা ৩৫৮ রানের বিশাল জয় পায়। তবে, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ৩০ মার্চ, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ২৮ ও ২৮* এবং বল হাতে নিয়ে ২/৬৫ ও ২/৯৯ লাভ করে দলের ১৯২ রানের বিজয়ে বেশ ভূমিকা রাখেন।

এ সফরের পূর্বে নিজ দেশে হাশমতউল্লাহ শহীদি’র নেতৃত্বাধীন আফগান দলের মুখোমুখি হন। চমৎকার ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে ব্যাট হাতে নিয়ে সুবিধে করতে না পারলেও বল হাতে ৩/৬৭ ও ৫/১০৭ লাভ করে দলের ১০ উইকেটের বিজয় নিশ্চিত করেন। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৪ সালে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ১/৯৬ ও ২/১০৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৮ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, গাস অ্যাটকিনসনের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১৯০ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০২৪ সালে নিজ দেশে টিম সাউদি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ৪/১৩৬ ও ৫/৬৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ০ ও ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৬৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই সফরের ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। চমৎকার বোলিংশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। ৬/৪২ ও ৩/১৩৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কামিন্ডু মেন্ডিসের অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৫৪ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। এ সিরিজে ১৮ উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।

২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে টি ডি জর্জি’র প্রথম উইকেট লাভ করে টেস্টে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ২/২৪ ও ২/১৩২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ১ রান সংগ্রহ করেন। মার্কো জানসেনের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৩৩ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই মৌসুমে নিজ দেশে স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম় ইনিংসে ৫/১৫১ লাভ করেন। এটি তাঁর একাদশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় পাঁচ-উইকেট লাভ ছিল। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ১/২০ পান। এ পর্যায়ে ৩০.১৭ গড়ে ১১৫ উইকেট দখল করেন। পাশাপাশি, খেলায় তিনি ০ ও ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অ্যালেক্স কেরি’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০২৫ সালে নিজ দেশে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৩৬ ও ৫/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ১০ রান সংগ্রহ করেন। তবে, পথুম নিসাঙ্কা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৭৮ রানে পরাভূত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

Similar Posts

  • |

    ইকবাল সিদ্দিকী

    ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকের শুরুতে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলার মাধ্যমে দ্রুত উত্থান ঘটে তাঁর। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ২০০৪-০৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া…

  • |

    অসি ডসন

    ১ সেপ্টেম্বর, ১৯১৯ তারিখে নাটালের রসবার্গ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দৌঁড়ুতে বেশ পটু ছিলেন। ১৯৩৮-৩৯ মৌসুম থেকে ১৯৬১-৬২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | | |

    ওয়াসিম রাজা

    ৩ জুলাই, ১৯৫২ তারিখে পাঞ্জাবের মুলতানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বর্ণাঢ্যময় বামহাতি স্ট্রোকপ্লের অধিকারী ছিলেন। এছাড়াও, কার্যকর লেগ-স্পিন বোলিং করতেন। মাঝে-মধ্যে বোলিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন তিনি। সহজাত অল-রাউন্ডার হিসেবে পাকিস্তানের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, কভার…

  • | |

    হার্শেল গিবস

    ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের গ্রীন পয়েন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। সর্বোচ্চমানের ফিল্ডিং ও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণে ক্রিকেট জগতে সবিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।…

  • | |

    সৈয়দ কিরমানি

    ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ তারিখে মাদ্রাজে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘কিরি’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে কর্ণাটক ও রেলওয়ের…

  • |

    লাহিরু গামাগে

    ৫ এপ্রিল, ১৯৮৮ তারিখে মারাদানা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০১০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘নয়া’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছেন। নতুন বল নিয়ে পেস ও সুইং সহযোগে বেশ চমৎকার দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। এছাড়াও, শ্রীলঙ্কার অনুপযোগী পিচেও বলকে সুইং করানোয় সক্ষমতা…