৭ মার্চ, ১৯৯০ তারিখে ডারবানের ওয়েস্টভিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
মাঝারিসারিতে আক্রমণাত্মক ধাঁচ অবলম্বনে ব্যাটিং করে থাকেন। পেশাদারী পর্যায়ে ক্রিকেট, ফুটবল কিংবা রাগবিতে অংশগ্রহণের ইচ্ছে তাঁর রয়েছে। অবসর সময়ে বিশ্রাম, সামাজিক যোগাযোগ ও এক্সবক্স খেলতে ভালোবাসেন। কিশোর ক্রিকেটে তাঁর ক্রিকেটীয় প্রতিভা ধরা পড়ে। এবি ডি ভিলিয়ার্স ও মার্ক বাউচারের ন্যায় তাঁরও ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটে বাকের্স মিনি ক্রিকেটে অংশ নেয়ার মধ্য দিয়ে। ওয়েস্টভিল বয়েজ হাইয়ে অধ্যয়ন করেন। এখানে ১৫ বছর বয়সে তাঁর খেলায় উত্তরণ ঘটতে শুরু করে। প্রিমিয়ার লীগে ক্লাব পাইনটাউনে যোগ দেন। কোয়াজুলু-নাটালের প্রাদেশিক দল অনূর্ধ্ব-১৩, অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেছেন।
২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ডলফিন্স ও কোয়াজুলু-নাটালের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, ইম্পি ও সাউথ আফ্রিকা একাডেমির পক্ষে খেলেছেন। ১৭ বছর বয়সে ৮ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত বোল্যান্ড বনাম কোয়াজুলু-নাটালের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। খুব শীঘ্রই ডারবানের প্রাধিকারপ্রাপ্ত দল ডলফিন্সের পক্ষে খেলেন। তবে, দলে নিয়মিতভাবে খেলার সুযোগ লাভে ব্যর্থ হন।
জুলাই-আগস্ট, ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘এ’ দলের সদস্যরূপে ভারত সফরে যান। অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের অংশগ্রহণে ত্রি-দেশীয় সিরিজের চার খেলায় অংশ নিয়ে ৩৮.৫০ গড়ে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ অক্টোবর, ২০১৫ সালে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে টি২০আই খেলার জন্যে তাঁকে মনোনীত করা হয়। এ পর্যায়ে আঘাতপ্রাপ্ত রাইলি রুজো’র স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
২০১৮ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে মমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ১৭ মার্চ, ২০২২ তারিখে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলার জন্যে প্রথমবারের মতো দলে অন্তর্ভুক্ত হন। ৮ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। পরবর্তী টেস্ট আরম্ভ হবার পূর্বে সারেল ইরি ও উইয়ান মুল্ডার কোভিড-১৯ অতিমারীতে আক্রান্ত হবার ফলে গ্লেনটন স্টুরম্যানের সাথে একযোগে টেস্ট খেলার সুযোগ পান। কেশব মহারাজের কাছ থেকে টেস্ট ক্যাপ গ্রহণ করেন। চতুর্থ ইনিংসে খেলার ৯.১ ওভার থাকাকালীন সারেল ইরি’র পরিবর্তে তিনি স্থলাভিষিক্ত হন। কেশব মহারাজের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ৩৩২ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।
২০২২ সালে দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন।
২০২২-২৩ মৌসুমে ডিন এলগারের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ৪ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৩৬ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। উসমান খাজা’র অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
