২৯ জুলাই, ১৯৭৫ তারিখে কুরুনেগালায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
৫ ফুট ৪ ইঞ্চির উচ্চতার অধিকারী। এরফলে, ক্ষুদ্র কাঁধের অধিকারী ছিলেন। কুরুনেগালাভিত্তিক সেন্ট অ্যানেস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৯১-৯২ মৌসুম থেকে ২০১১-১২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বার্গার রিক্রিয়েশন ক্লাব, কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব, কুরুনেগালা ইয়ুথ ক্রিকেট ক্লাব, তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব এবং ওয়েয়াম্বার প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯৭ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও ১১টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৮ জুলাই, ১৯৯৭ তারিখে কলম্বোর আরপিএসে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
সবগুলো টেস্টই ভারতের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে ভারত গমন করেন। ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে মোহালীতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, অরবিন্দ ডি সিলভা’র অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
একই সফরের ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২০ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। তবে, সৌরভ গাঙ্গুলী’র অসামান্য ব্যাটিং সাফল্য সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ঐ টেস্টসহ সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২২ বছর বয়সে রমেশ কালুবিতরানা’র স্থলাভিষিক্ত হন। অনেক প্রত্যাশা ছিল তাঁকে ঘিরে। হাতে এ কাজ নিখুঁততার সাথে সম্পন্ন করতে অগ্রসর হন। পাশাপাশি উইকেট-রক্ষক হিসেবেও সফলতার স্বাক্ষর রাখতে থাকেন। তবে ব্যাট হাতে তেমন সফল ছিলেন না। উইকেট-রক্ষণে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হন। রমেশ কালুভিতারানা দলে প্রত্যাবর্তন হলে স্থানচ্যূত হন ও আর দ্বিতীয়বার খেলার সুযোগ পাননি।
ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ৮ আগস্ট, ২০২০ তারিখে শ্রীলঙ্কা মহিলা দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে মনোনীত হন।
