২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে পাঞ্জাবের লায়লপুর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
‘ইজাজ আহমেদ জুনিয়র’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুম থেকে ২০১০-১১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে অ্যালাইড ব্যাংক, ফয়সালাবাদ ও পাকিস্তান রেলওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয় টেস্টই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক সিরিজে খেলেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে নিজ দেশে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ তারিখে পেশাওয়ারে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। সাকলাইন মুশতাকের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। একমাত্র ইনিংসে ৫ রান সংগ্রহসহ ০/১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ওয়াসিম আকরামের অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীতে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৪০ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, একই সিরিজের ফয়সালাবাদ টেস্টে অংশ নেন। ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ তারিখে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ১৬ ও ৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, মুত্তিয়া মুরালিধরনের বোলিংয়ের দাপটে স্বাগতিকরা ৪২ রানে পরাজয়বরণ করে ও সিরিজ অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। এছাড়াও, দুইটি ওডিআইয়ের সবগুলোই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছিলেন।
