২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৪ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৯২-৯৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে নোম্যাডস স্পোর্টস ক্লাব ও অ্যান্টোনিয়ান্স স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শ্রীলঙ্কা বোর্ড একাদশের সদস্যরূপে সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। খেলায় ১৩০ রানের বিনিময়ে দশ উইকেট লাভ করেছিলেন। ঐ সময়ে অন্যান্য অনেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারের ন্যায় স্বল্পকালীন সময়ের জন্যে টেস্ট দলে খেলার পর চীরতরে বাদ পড়েন।
১৯৮৪ সালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে নিজ দেশে জিওফ হাওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৯ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে ক্যান্ডিতে সফররত নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। সনথ কালুপেরুমা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। সূচনা পর্বটি দারুণ হয়েছিল। দলীয় সংগ্রহ ১৫৫/৯ থাকাকালে মাঠে নামেন। দশম উইকেট জুটিতে বিনোদন জনের সাথে (২৭*) সাথে ৬০ রান যুক্ত করেন। এ জুটির সংগ্রহটি তৎকালীন শ্রীলঙ্কান রেকর্ড হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। এরফলে, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে ১৩ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমে দল ২১৫ রানে গুটিয়ে গেলেও ৩৪ রান তুলে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। এ পর্যায়ে তিনি রান-আউটের শিকার হন। দ্বিতীয় ইনিংসে শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে বামহাতে অর্থোডক্স বোলিং করে বিশেষ সুবিধে করতে পারেননি। ঐ টেস্টে মাত্র ২০ ওভার বোলিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১/৪৫ ও ০/৩২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ১৬৫ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরে ২৪ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে কলম্বোর সিসিসিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। বেশ আঁটোসাটো বোলিং করেন। ৩০ ওভার বোলিং করে ব্যক্তিগত সেরা ২/৭৩ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। এছাড়াও, ১৫ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ইনিংস ও ৬১ রানে জয় পেলে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। খেলোয়াড়ী জীবন শেষে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন।
