| |

সিদাথ ওয়েতিমুনি

১২ আগস্ট, ১৯৫৬ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৭৫-৭৬ মৌসুম থেকে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বমোট ২৩ টেস্ট ও ৩৩টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজ দেশে কিথ ফ্লেচারের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ৪৫-ওভারের ঐ খেলায় ২১২ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় শ্রীলঙ্কা দলের সংগ্রহ ৯২/৪ থাকা অবস্থায় ব্যাট হাতে নামেন। ৪৬ রানের দর্শনীয় ইনিংস খেললেও শেষ ওভার পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে স্বাগতিক দল ৫ রানে পরাজয়বরণ করে।

একই সফরের ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। কলম্বোর পিএসএসে অন্য সকলের সাথে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এরফলে, শ্রীলঙ্কার টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেয়ার গৌরব অর্জন করেন। ওডিআইয়ের ন্যায় ইংরেজদের বিপক্ষে টেস্টে তেমন সফল হননি। উভয় ইনিংসেই দুই অঙ্কের রান তুলতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ৬ ও ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জন অ্যাম্বুরি’র অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয় তুলে নেয়।

ফয়সালাবাদে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৫৭ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংস সকলের প্রশংসা কুড়ান। এরফলে, রেকর্ড বহিতে স্বীয় স্থান নিশ্চিত করেন। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে শতক হাঁকানোর কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। তাঁর এ নিরলস প্রচেষ্টা আবারও প্রমাণ করেন। নিজ দেশে প্রথম দুই টেস্টে পরাজয়ের পর ১৪ মার্চ, ১৯৮২ তারিখে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এ সফলতা পান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে রয় ডায়াসের সাথে ২১৭ রানের জুটি গড়েছিলেন।

এছাড়াও, প্রথম শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট হাতে নিয়ে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ছাড়েন। ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে সোমাচন্দ্র ডি সিলভা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে নিউজিল্যান্ড সফর করেন। ৪ মার্চ, ১৯৮৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। এ পর্যায়ে স্বীয় ভ্রাতা মিত্র ওয়েতিমুনি’র সাথে একত্রে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামেন। এরফলে, ইএম গ্রেসডব্লিউজি গ্রেস এবং হানিফ মোহাম্মদসাদিক মোহাম্মদের পর তৃতীয় ভ্রাতৃদ্বয় হিসেবে একই টেস্টে ইনিংসের গোড়াপত্তনে নামার গৌরব অর্জন করেন। দলের সংগৃহীত ১৪৪ রানের মধ্যে তিনি অপরাজিত ৬৩ রান করেছিলেন। এরফলে, প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত অবস্থায় প্যাভিলিয়নে ফিরে আসার ন্যায় সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ওয়ারেন লিজের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২৫ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৮৪ সালে দিলীপ মেন্ডিসের অধিনায়কত্বে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইংল্যান্ড সফরে দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ক্রিকেটের স্বর্গভূমি লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে ১৯০ রান তুলেন। দূর্দান্ত স্ট্রোকপ্লে ও স্থির প্রতিজ্ঞায় ভাস্বর ছিল তাঁর এ ইনিংসটি। এরফলে, প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে লর্ডসে শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন ও জনপ্রিয়তা পাওয়া লর্ডস অনার্স বোর্ডে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করেন। ঐ সময়ে এটিই টেস্টে যে-কোন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। এছাড়াও, লর্ডসে এ সংগ্রহটি তৎকালীন সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল। ঐ ইনিংস খেলতে ৪৭১ মিনিট সময় নিয়ে ৬৩৬ বল মোকাবেলা করেছিলেন এবং দিলীপ মেন্ডিস ও অমল সিলভা’র শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। তাঁর ঐ ইনিংসে ২১টি চারের মার ছিল। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর এ প্রচেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে সুফল বয়ে আনে। ১৯৮৫ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননা লাভ করেন। এটিই যে-কোন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারের প্রথম সম্মাননাপ্রাপ্তি ছিল।

তবে, তাঁর খেলার ধরন দ্রুতলয়ের উপযোগী একদিনের ক্রিকেটের সাথে যুঁৎসই ছিল না। অনেক সময়ই খেলায় স্থবিরতা আনয়ণ করতো। ওডিআই দল থেকে বাদ পড়লেও টেস্ট দলে ঠিকই স্বীয় স্থান ধরে রেখেছিলেন। সতীর্থ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে বেশ সম্মানীয় ছিলেন।

১৯৮৬ সালে সফরকারী পাকিস্তান দল শ্রীলঙ্কান আম্পায়ারদের বিপক্ষে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ আনে ও অধিনায়ক ইমরান খান সফরের মাঝপথে সফল বাতিলের হুমকি দেন। উভয় দলের মাঝে তিক্ততাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও তিনি কৌশলে তা সামলান। অপরাজিত থাকার ঘোষণা আসলেও বল তাঁর ব্যাটের প্রান্তভাগ স্পর্শ করলে ক্রিজ থেকে ফিরে আসেন।

অপর প্রান্তে উপযোগী সঙ্গীর অভাবে নিজেকে যথেচ্ছভাবে প্রকাশ করতে পারেননি। ঐ সময়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে যুঁৎসই সঙ্গী খুঁজতে শ্রীলঙ্কা দল বেশ হিমশিম খায়। টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে তিনিও পূর্বের ন্যায় ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি। পরিসংখ্যানগতভাবে নিজ দেশের তুলনায় বিদেশের মাটিতেই অধিক সফল ছিলেন।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে দিলীপ মেন্ডিসের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ৪ জানুয়ারি, ১৯৮৭ তারিখে কটকে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। ৬ ও ১২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক কপিল দেবের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৬৭ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

খাঁটিমানের ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে উপযোগী কৌশল অবলম্বন করতেন। শ্রীলঙ্কার টেস্ট ক্রিকেটের শুরুতে প্রধান ব্যাটিং চালিকাশক্তি ছিলেন। ঐ সময়ে দলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে উদ্বোধনী অবস্থানে ছিলেন ও নিজেকে পাকাপোক্ত করেন। খুব কম সময়ই জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা মিত্র ওয়েতিমুনি’র সাথে একত্রে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরু থেকেই ব্যাটিং উদ্বোধনে নামতেন। সচরাচর, রক্ষণাত্মক ধাঁচে খেলতেই অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। প্রায়শঃই শ্রীলঙ্কা দলের সূচনা পর্বের ভিত্তি গড়তে সচেষ্ট থাকতেন। শ্রীলঙ্কার টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। এছাড়াও, ওডিআইয়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামতেন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন। দুইটি টেস্ট ও ১০টি ওডিআই পরিচালনা করেন। ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে হারারেতে জিম্বাবুয়ে বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার খেলা পরিচালনায় প্রথম অগ্রসর হন। এরপর, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের দল নির্বাচকমণ্ডলীর দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও, ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পর আর্থিক অসঙ্গতির কারণে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের সদস্য হন। ১ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে কলম্বোয় অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান হিসেবে তাঁকে নিযুক্ত করা হয়।

তাঁর ভ্রাতা সুনীল ওয়েতিমুনি ও মিত্র ওয়েতিমুনি শ্রীলঙ্কার পক্ষে ক্রিকেট খেলেছেন। কলম্বোভিত্তিক পারিবারিক অলঙ্কার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নিরামিশভোজী ও ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ। বৌদ্ধদের ভিডিও চিত্র ‘ডান্নো বুদাঙ্গে’ গান গেয়েছেন।

Similar Posts

  • | | |

    ডেসমন্ড হেইন্স

    ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে বার্বাডোসের হোল্ডার্স হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ‘ডেসি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস, ইংরেজ কাউন্টি…

  • |

    ব্যাসিল গ্রিভ

    ২৮ মে, ১৮৬৪ তারিখে মিডলসেক্সের কিলবার্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। হ্যারো স্কুলে অধ্যয়ন করেছিলেন। ক্লাব পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পেশায় পানশালা পরিচালনা করতেন। হ্যারোর পক্ষে বোলার হিসেবে বেশ সফলতার স্বাক্ষর রাখেন।…

  • |

    কেশব মহারাজ

    ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত তিনি। পিতা নাটালের পক্ষে উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। নর্থউড বয়েজ হাইয়ে পড়াশুনো করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে পেস বোলিং করতেন। পরবর্তী…

  • | | |

    শেন ওয়াটসন

    ১৭ জুন, ১৯৮১ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের ইপ্সউইচ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। বব ওয়াটসন ও বার্ব ওয়াটসন দম্পতির সন্তান। নিকোল ওয়াটসন নাম্নী ভগ্নী রয়েছে। ‘ওয়াটো’ ডাকনামে ভূষিত শেন ওয়াটসন…

  • |

    ইএম গ্রেস

    ২৮ নভেম্বর, ১৮৪১ তারিখে ব্রিস্টলের ডাউনএন্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘দ্য করোনার’ ডাকনামে পরিচিত ই. এম. গ্রেস ১৮৬০-এর দশকে ইংল্যান্ডের সেরা ক্রিকেটারদের অন্যতম হিসেবে পরিগণিত হয়েছিলেন। ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারের সন্তান ছিলেন। ড. হেনরি মিলস গ্রেস ও…

  • | | | |

    শেন ওয়ার্ন

    ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ফার্নট্রি গালি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে লেগ-ব্রেক কিংবা লেগ-স্পিন বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, ওডিআইয়ে অজি দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ক্রিকেট জগতে পদার্পণকালীন পুরো ক্রিকেট বিশ্ব পেস ও…