২৪ মে, ১৯৯৭ তারিখে নর্থ ওয়েস্ট প্রভিন্সের ক্লার্কসডর্প এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলছেন।
লায়েরস্কুল প্রেসিডেন্ট এন্ড সেন্ট কনরাডস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৪-১৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নর্থ ওয়েস্টের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, নর্থ ওয়েস্ট অনূর্ধ্ব-১৫, নর্থ ওয়েস্ট অনূর্ধ্ব-১৯, দক্ষিণ আফ্রিকা কোল্টস একাদশ, দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৭ আমন্ত্রিত একাদশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন। ২২ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত সাউথ ওয়েস্ট ডিস্ট্রিক্ট বনাম নর্থ ওয়েস্টের মধ্যকার অনুষ্ঠিত খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
২০২৭ সাল পর্যন্ত দলের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে ২৬ জুন, ২০২৫ তারিখে কেশব মহারাজের নেতৃত্বাধীন উদীয়মান তারকা ব্রেভিস, ব্রিজকি ও প্রিটোরিয়াসের সাথে তাঁকে দলে রাখা হয়। এ পর্যায়ে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রাখা হয়। ফলশ্রুতিতে, ৬ জুন, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিতব্য দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে কডি ইউসুফ ও প্রেনেলান সুব্রায়ানের সাথে তাঁকে টেস্টে অভিষেকের জন্যে অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়। তবে, প্রথম একাদশে ঠাঁই পেতে তাঁকে টনি ডি জর্জি’র সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হয়। প্রথম-শ্রেণীর প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন।
২০২৫ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলছেন। ২০২৫ সালে তেম্বা বাভুমা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। ৩১ বছর বয়সে ৬ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। প্রেনেলান সুব্রায়ানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দলের একমাত্র ইনিংসে ৩ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা উইয়ান মুল্ডারের (৩৬৭*) অপরাজিত ত্রি-শতকের কল্যাণে তিনদিনেই সফরকারীরা ইনিংস ও ২৩৬ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।
