৯ মার্চ, ১৯৩৭ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৭০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬৬-৬৭ মৌসুম থেকে ১৯৭৩-৭৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের সবগুলো খেলাই ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের পক্ষে খেলেন। ৩৩ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন।
১৯৭০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৭০-এর দশকের অন্যতম তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে বিল লরি’র নেতৃত্বাধীন অজি দলের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ বিজয়ে অংশ নেন। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। লি আরভিন, ব্যারি রিচার্ডস ও ডেনিস গ্যামসি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৭০ রানে জয়লাভ করতে সমর্থ হয়। নিজ মাঠে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ১০০ রান খরচায় পাঁচ উইকেট দখল করেন। সংক্ষিপ্ত সময় বড় ধরনের মুহূর্তের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ২/৩২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩/৬৮ পান। তন্মধ্যে, প্রথম ইনিংসে ইয়ান চ্যাপেলকে লেগ-স্লিপ অঞ্চলে লি আরভিনের বদান্যতায় শূন্য রানে বিদেয় করেন। এরপর, দ্বিতীয় ইনিংসেও তাঁকে ১৩ রানে বিদেয় করেন। এছাড়াও, খেলায় তিনি ০ ও ০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, দ্বিতীয় টেস্টে জন ট্রাইকোসকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ঐ সিরিজের পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকা দল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়। এরপূর্বে ১৯৭০ সালে ইংল্যান্ড ও ১৯৭১-৭২ মৌসুমে ইংল্যান্ড সফরের জন্যে মনোনীত হয়েছিলেন। প্রায় ৩০ বছর বয়সে এসে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের যাত্রা শুরু করে ২৩.৭২ গড়ে ১৫৪ উইকেট দখল করেছিলেন। তবে, ব্যাট হাতে মোটেই সুবিধের ছিলেন না। এগারো নম্বর অবস্থানে ব্যাট হাতে মাঠে নামতেন।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। নুন নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। জুলি, জেন ও বায়রন নামীয় সন্তানত্রয়ের জনক। ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ তারিখে স্বল্পকালীন রোগে ভোগে ৮০ বছর ২৫০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
