২৫ জুন, ১৯৪৯ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮২-৮৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। এছাড়াও, সিলন দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও চারটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ৭ জুন, ১৯৭৫ তারিখে ম্যানচেস্টারে বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজ দেশে কিথ ফ্লেচারের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। একই সফরের ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। কলম্বোর পিএসএসে অন্য সকলের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এরফলে, শ্রীলঙ্কার টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেয়ার গৌরব অর্জন করেন। ঐ টেস্টে ডি.এস. ডি সিলভা ও অজিত ডি সিলভা’র সাথে দলের তৃতীয় স্পিনার হিসেবে ব্যবহৃত হন। এরফলে, বোলিংয়ের দায়িত্বভার গ্রহণে অংশ নেন। ০/২৯ ও ০/৪০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ১ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জন অ্যাম্বুরি’র অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয় তুলে নেয়।
১৯৮১-৮২ মৌসুমে দিলীপ মেন্ডিসের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে পাকিস্তান গমন করেন। ১৪ মার্চ, ১৯৮২ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত হন। আবারও, তাঁদের কারণে খেলায় তেমন ভূমিকা রাখতে পারেননি। মাত্র ছয় ওভার বোলিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। ০ ও ১১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও স্বাগতিকরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এরপর আর কোন প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে তৎকালীন নিষিদ্ধঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বিদ্রোহী দলের সাথে যোগ দেন। শ্রীলঙ্কার টেস্ট মর্যাদা লাভকালীন ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে পরিচ্ছন্ন অফ-স্পিনার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। এছাড়াও কার্যকর নিচেরসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। তবে, ঘরোয়া ক্রিকেটের সফলতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে পারেননি।
ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য হন। ৭ মে, ২০০৫ সালে দল নির্বাচকমণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। অশান্ত ডিমেলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন তিনি।
