৩ নভেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে লেগ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৯৮৯-৯০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো আন্তর্জাতিক খেলাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে জেরেমি কোনি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ৮ নভেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে একটিমাত্র উইকেট লাভ করলেও রিচার্ড হ্যাডলিকে এক ইনিংসে দশ-উইকেট লাভ করা থেকে বঞ্চিত করেন। সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে রিচার্ড হ্যাডলি প্রথম আট উইকেট লাভ করেন। এরপর, তিনি জিওফ লসনের বিপক্ষে বোলিং করলে ডিপ অঞ্চলে দণ্ডায়মান রিচার্ড হ্যাডলি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ফ্রাঙ্ক কিটিং ক্যাচটিকে শতাব্দীর সেরা ক্যাচ হিসেবে মূল্যায়িত করেছিলেন। এরফলে, জিম লেকারের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে তাঁর ইনিংসে দশ-উইকেট লাভের মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হন। খেলায় তিনি ১/১৭ ও ০/৯৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে ৩৬* রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। রিচার্ড হ্যাডলি’র অনবদ্য অল-রাউন্ড সাফল্যে সফরকারীরা ইনিংস ও ৪১ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, একই সফরের ২২ নভেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩৫ ও ০/২৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। জন ব্রেসওয়েলের প্রাণান্তঃকর অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৭৯ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কাউন্সিলের তরুণ খেলোয়াড়দের লর্ডস বৃত্তির আওতায় প্রথম বিজয়ী হন। তবে, গাড়ী দূর্ঘটনায় নাকে আঘাত পেলে দেশে ফিরে আসেন।
