২৮ জানুয়ারি, ১৯০৬ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ওয়েলিংটন কলেজে ভর্তি হন। এরপর, ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে কলায় স্নাতক ও বাণিজ্যে স্নাতকধারী হন। ১৯২৭-২৮ মৌসুম থেকে ১৯৩২-৩৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ইংল্যান্ড থেকে ফিরে নিউজিল্যান্ডীয় একাদশের বিপক্ষে বাদ-বাকী দলের সদস্যরূপে নিজস্ব প্রথম প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন। ছয় নম্বর অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এরপর, স্টুই ডেম্পস্টারের উইকেট কব্জা করেন।
পরবর্তীতে, প্লাঙ্কেট শীল্ডে ওয়েলিংটনের সদস্যরূপে চমৎকার খেলেন। ওতাগোর বিপক্ষে ১৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন। এরফলে, সফরকারী অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে উভয় খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের প্রথম মৌসুমে ৫২.৬৬ গড়ে রান পেয়েছিলেন। তবে, একই ধারা নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে বহমান রাখতে পারেননি।
১৯৩০ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ লাভ করেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুমে নিজ দেশে হ্যারল্ড জিলিগানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১০ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। স্মর্তব্য যে, এটিই নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম খেলা ছিল। অ্যাল্বি রবার্টস, স্টুই ডেম্পস্টার, টেড ব্যাডকক, জর্জ ডিকিনসন, ম্যাট হেন্ডারসন, কার্লি পেজ, রজার ব্লান্ট, টম লরি ও বিল মেরিটের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। উভয় ইনিংসে ২ রান করে পেয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে প্রথম নিউজিল্যান্ডীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে প্যাভিলিয়নের দিকে পাড়ি জমান। সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে, পরের খেলায় জ্যাকি মিলসকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
দূর্বল স্বাস্থ্যের কারণে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ব্যাটিংয়ে দক্ষতা প্রদর্শনসহ ধৈর্য্যশীলতার বিমূর্ত প্রতীক হিসেবে ইনিংসে উদ্বোধনে নামতেন। এছাড়াও, স্লিপ অঞ্চলে ফিল্ডিং করতেন। কমার্শিয়াল অস্ট্রেলিয়া ব্যাংকের হিসাবরক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৮ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের ব্রিসবেনে মাত্র ৪২ বছর ২৬২ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
