২৯ জুন, ১৯৬৯ তারিখে কো ডারহামের ক্লিডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
‘চুবি’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। দীর্ঘকায় ও শীর্ণ গড়নের অধিকারী ছিলেন। ১৯৮৭ থেকে ২০০২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবন চলমান রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহাম ও নর্দাম্পটনশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৭ সালে নর্দাম্পটনশায়ারের পক্ষে খেলতে শুরু করেন। তবে, কার্টলি অ্যামব্রোস, উইনস্টন ডেভিস, গ্রেগ থমাস ও ডেভিড ক্যাপেলের দাপটে প্রথম একাদশে ঠাঁই করতে বেশ হিমশিম খান। ফলশ্রুতিতে, ১৯৯১ সালে ডারহামের পথে রওয়ানা দেন। পরের বছরই দলটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট দলের মর্যাদা পায়। নবীনতম দলের পক্ষে নিয়মিতভাবে উইকেটের সন্ধান পেতে থাকেন। তবে, এরজন্যে যথেষ্ট ছাড় দিতে হয়েছিল। দলের আক্রমণ পরিচালনায় অগ্রসর হতেন ও গ্রীষ্মের শেষদিকে ছন্দ হারিয়ে ফেলেন। এছাড়াও, ক্রমাগত আঘাতের কবলে পড়ে ৩০ বছর বয়সেই খেলার জগৎ থেকে বিদেয় নিতে বাধ্য হন।
১৯৯৬ সালে ইংল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ঐ বছর নিজ দেশে ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৫ জুলাই, ১৯৯৬ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। নিজস্ব দশম বলে উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান আমির সোহেলকে এলবিডব্লিউতে বিদেয় করেন। তবে, ওয়াকার ইউনুসের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১৬৪ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
দৃশ্যতঃ সবকিছু সঠিক হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছিল। কিন্তু, ঐ টেস্টই পরবর্তীতে তাঁর প্রথম ও সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। পরবর্তীতে, তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘আমি আরও খেলায় অংশ নিতে চেয়েছিলাম। তবে, এক টেস্টের বিস্ময়কারী গ্লুচেস্টারশায়ারের মাইক স্মিথের ন্যায় অপর বামহাতি বোলারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে দেখে নিজেকে স্বান্তনা দেই। প্রকৃতই কি ঘটেছিল তা আমার জানা নেই।’
২০০২ সালে ডারহামের পক্ষে সর্বশেষ খেলেন। ব্যাংকিং জগতের সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীতে, প্রাইসওয়াটারহাউজকুপার্সে পেশাদারী পর্যায়ে অংশ নেন। এক দশকের অধিক সময় ব্যবসায়িক জগতে ব্যস্ত থাকার পর ৮২টি শক্তিধর ও উদীয়মান দলের আঞ্চলিক কার্যক্রমের প্রধান হিসেবে যুক্ত হন।
