৩০ নভেম্বর, ১৯৭৫ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ২০০০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ২০০৭-০৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, করাচী, খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ, পাকিস্তান কাস্টমস ও পাকিস্তান রিজার্ভসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে বর্ণাঢ্যময় ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন। ২০০০-০১ মৌসুমে ৭৬টি ডিসমিসাল ঘটিয়ে দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভঙ্গ করে নিজের করে নেন। এছাড়াও, ঘরোয়া আসরের সীমিত-ওভারের খেলায় সর্বাধিক ৬টি ডিসমিসালের রেকর্ডও তাঁর দখলে রয়েছে।
দূর্ভাগ্যজনকভাবে মঈন খান ও রশীদ লতিফের ন্যায় সেরা উইকেট-রক্ষকদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হয়। ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তাঁরা অদল-বদল করে খেললেও খুব কমসংখ্যক উইকেট-রক্ষকই খেলার সুযোগ পেতেন। তাসত্ত্বেও, ২০০০ সালে পাকিস্তানের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র ওডিআই খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ লাভ করেছেন।
১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে নিজ দেশে সনথ জয়সুরিয়া’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ৫ মার্চ, ২০০০ তারিখে পেশাওয়ারে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অংশগ্রহণকৃত টেস্টটিতে সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, মুত্তিয়া মুরালিধরনের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীতে সফরকারীরা ৫৭ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এরপর, ইংল্যান্ডের লীগ ক্রিকেটে তিনটি মৌসুম সফলতার সাথে অতিবাহিত করেন। পরবর্তীতে, ২০০৭-০৮ মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে সুই সাউদার্ন গ্যাস কোম্পানির সাথে খেলেন। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডে অবস্থান করছেন ও কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেয়ার চিন্তাধারা করেছিলেন।
