১৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫ তারিখে মানাওয়াতুর পালমারস্টোন নর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ লেগ-ব্রেক বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
তুলনামূলকভাবে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন বেশ দারুণ ছিল। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ক্রিকেট খেলায় ফিরে এসে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস শেল সুপার ম্যাক্স দলে যুক্ত হন। পরবর্তীতে দেশের অন্যতম ধনী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
বোলার হওয়া সত্ত্বেও নিজের একমাত্র টেস্টে বোলিং করার সুযোগ পাননি। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৬ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। জিওফ অ্যালট, নাথান অ্যাসলে ও রবার্ট কেনেডি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যাটিংকালে নিজস্ব প্রথম টেস্টেই আঙ্গুল ভেঙ্গে ফেলেন। দলের সংগ্রহ ২২৬/৮ থাকাকালে ৪ রান সংগ্রহ করে আঘাতের কবলে পড়ে মাঠ ত্যাগ করেন। এদিন তাঁর ২১তম জন্মদিন ছিল। তবে, ক্রিস কেয়ার্নসের অসাধারণ বোলিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। এরপর আর তাঁকে কোন পাঁচ-দিনের খেলায় অংশ নিতে দেখা যায়নি। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
