৮ জানুয়ারি, ১৯১৩ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের টুউম্বা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
১৯৩১-৩২ মৌসুম থেকে ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি ও ওতাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, ছয়বার ওতাগো ও চারবার ক্যান্টারবারির পক্ষে খেলেন। সব মিলিয়ে এগারো খেলা থেকে ৩৩.৫২ গড়ে সতেরো উইকেট লাভ করেন এবং ২২.৪৪ গড়ে ৪০৪ রান তুলেন।
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের চব্বিশজন বোলারের অন্যতম হিসেবে প্রথম বলে উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। তদুপরি এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে একমাত্র উইকেট লাভের ঘটনা ছিল। ১৯৩২-৩৩ মৌসুমে ডগলাস জার্ডিনের অধিনায়কত্বে নিউজিল্যান্ড সফরে আসা এমসিসি দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান। ২৪ মার্চ, ১৯৩৩ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ডগ ফ্রিম্যান ও পল হোয়াটল’য়ের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে ২০ বছর বয়সী ডেনিস স্মিথ খেলার দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে এডি পেন্টারকে বোল্ড করে এ সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। বলটি দেরীতে সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের মাঝ দিয়ে বামহাতি ব্যাটসম্যানের মাঝের ও লেগ স্ট্যাম্পে আঘাত হানে। তবে, বিশ ওভার বোলিং করে তিনি ১১৩ রান খরচ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়। দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে দলের দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছিল।
২৫ জানুয়ারি, ১৯৮৬ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে ৭৩ বছর ১৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
