১২ এপ্রিল, ১৯৯৬ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্টে অংশ নিচ্ছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

টানটনভিত্তিক কিংস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৪-১৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে টাইটান্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কার্ডিফ এমসিসিইউ, জোবার্গ সুপার কিংস, গ্ল্যামারগন দ্বিতীয় একাদশ, সমারসেট দ্বিতীয় একাদশ ও গটেং অনূর্ধ্ব-১৩ দলের পক্ষে খেলেছেন। ২ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে কার্ডিফে গ্ল্যামারগন বনাম কার্ডিফ এমসিসিইউ’র মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

৫১টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অভিজ্ঞতালব্ধ অবস্থায় তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দলের সদস্যসহ অধিনায়কত্ব প্রদান করা হয়। এ পর্যায়ে তিনি ৩৯.২৭ গড়ে ২৯০৬ রান ও ৩০.৮১ গড়ে ৭২ উইকেট দখল করেছেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ষষ্ঠ বোলার হিসেবে নিজের পরিচিতি ঘটাতে অগ্রসর হন। বামহাতে ধীরলয়ে বোলিং করেন। ছয়টি প্রথম-শ্রেণীর শতক হাঁকানোর পাশাপাশি বল হাতে ব্যক্তিগত সেরা ৪/৩৫ লাভ করেন। জোহানেসবার্গ টাইটান্সের পক্ষে খেলেছেন। এসএ২০-এর উদ্বোধনী আসরে জোবার্গ সুপার কিংসের সদস্যরূপে মনোনীত হন। কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ডের গ্ল্যামারগন ও সমারসটের দ্বিতীয় একাদশের সদস্য ছিলেন।

২০২৪ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে অংশ নেন। ২০২৩-২৪ মৌসুমে স্প্রিংবকের নেতৃত্বে থেকে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ের বে ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে এডওয়ার্ড মুর, ক্লাইড ফরচুন, রুয়ান ডি সোয়ার্ট, রেনার্ড ফন টন্ডার ও টিশেপো মোরকেই’র সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তন্মধ্যে, এ সিরিজে তিনি দলনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এরফলে, ১৯৩৮ সালে অ্যালান মেলভিলের পর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে টেস্ট অভিষেকে দলের অধিনায়কত্ব করার গৌরব অর্জন করেন। মূলতঃ নিয়মিত সম্ভাব্য অধিনায়কের দাবীদারদের দক্ষিণ আফ্রিকার আনুষ্ঠানিক টি২০ লীগ এসএ ২০ প্রতিযোগিতায় ব্যস্ততার কারণে তাঁকে দলনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে টেস্টে প্রথমবারের মতো পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ৬/১১৯ ও ২/৫২ লাভ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ৩ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। রচিন রবীন্দ্রের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ২৮১ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬ রান সংগ্রহকালে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ২৫ ও ৩৪ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, উইলিয়াম ও’রোর্কের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা খেলায় ৭ উইকেটে জয়লাভসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

তবে, এ সিরিজে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। সব মিলিয়ে ঐ সিরিজে ১৬.৫০ গড়ে মাত্র ৬৬ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও ২১.৩৭ গড়ে আট উইকেট দখল করেছিলেন।

Similar Posts

  • |

    রে লিন্ডওয়াল

    ৩ অক্টোবর, ১৯২১ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের মাস্কট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। নান্দনিক নির্যাস ও বিশুদ্ধতাকে ক্রিকেটীয় সৌন্দর্য্যে উপস্থাপন করেছিলেন। দৌঁড়ে উইকেটে চলে যেতেন না। দৌঁড়ের শেষদিকে গতি বাড়িয়ে দিতেন ও বাহু মেলে…

  • |

    স্কট কাগেলিন

    ৩ জানুয়ারি, ১৯৯২ তারিখে হ্যামিল্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। বোলিংয়ের দিকেই অধিক দৃষ্টিপাত ঘটান। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিশৈলী প্রদর্শন করেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১১-১২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটন ও নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, চেন্নাই সুপার কিংস ও…

  • | |

    মোহাম্মদ আজহারউদ্দীন

    ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৩ তারিখে অন্ধ্রপ্রদেশের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন ও অন-সাইডে দৃষ্টিনন্দন কব্জীর মোচড়ে রান সংগ্রহে তৎপরতা চালাতেন। অসাধারণ ফিল্ডিং ও নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁর…

  • | |

    সঞ্জীব শর্মা

    ২৫ আগস্ট, ১৯৬৫ তারিখে দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারত দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লি, রেলওয়ে ও রাজস্থানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮০-এর…

  • |

    উসমান খাজা

    ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে পাঞ্জাবের ইসলামাবাদে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। খাজা তারিক ও ফোজিয়া তারিক দম্পতির সন্তান। শিশু অবস্থায় পরিবারের সাথে নিউ সাউথ ওয়েলসে অভিবাসিত হন। ওয়েস্টফিল্ডস হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ‘উজি’ ডাকনামে ভূষিত উসমান খাজা…

  • |

    সায়মন ডেভিস

    ৮ নভেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ব্রাইটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ইন-সুইঙ্গার বোলার ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া এবং ইংরেজ ক্রিকেটে ডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান…