১৮ মার্চ, ১৯১৯ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের ইপ্সউইচ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে মারকুটে ব্যাটিং করতেন। ১৯৪০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৫২-৫৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে কুইন্সল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বেশ কয়েক বছর কুইন্সল্যান্ড দলের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন। যুদ্ধ শেষে সলোমনের বোগেইনফিলে অস্ট্রেলীয় সেনাবাহিনীর পক্ষে শেফিল্ড শীল্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথমবারের মতো সকলের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষমতা দেখান। শেফিল্ড শীল্ড প্রতিযোগিতায় কুইন্সল্যান্ডের পক্ষে ৪৩ খেলা থেকে ১৭১ উইকেট লাভের ন্যায় রাজ্য রেকর্ডের সাথে নিজেকে জড়ান। পরবর্তীতে, রস ডানকান ও পিটার অ্যালান তাঁর এ রেকর্ডকে ছাঁপিয়ে যান।
১৯৪৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ লাভ করেছিলেন। ১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে নিজ দেশে লালা অমরনাথের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ডগ রিং ও স্যাম লক্সটনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দলের একমাত্র ইনিংসে ২৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৬৬ ও ৩/৮ লাভ করেন। খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ১৭৭ রানে জয় পেলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এরপর, ১৯৫০ সালে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় একাদশের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন।
২০ এপ্রিল, ১৯৭৭ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের সিল্কস্টোন এলাকায় ৫৮ বছর ৩৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
