|

চার্লস পাসাইলাইগু

৪ আগস্ট, ১৯০১ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুম থেকে ১৯৩৮-৩৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। সব মিলিয়ে মাত্র ১২টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করে ৫৩ গড়ে রান সংগ্রহ করেছিলেন। একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের পরপরই তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। শৈশবকালে জর্জ হ্যাডলি’র সাথে অন্তরঙ্গপূর্ণ বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুমে নিজ দেশে সফররত এমসিসি’র বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম খেলায় ১৮৩ রান তুলেছিলেন।

১৯৩০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তুলনামূলক দূর্বল খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া ফ্রেডি ক্যালথর্পের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের বিপক্ষে অংশ নেন। ৩ এপ্রিল, ১৯৩০ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। জর্জ গ্ল্যাডস্টোন, ইভান ব্যারো ও অস্কার ডা কস্তা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ টেস্টে ৪৪ ও ২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে শেষ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।          

দূর্ভাগ্যবশতঃ ১৯৩০-৩১ মৌসুমের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে উপেক্ষিত হন। এছাড়াও, আর তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে রাখা হয়নি। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটেও মাঝে-মধ্যে খেলার সুযোগ পেতেন। আট বছরে জ্যামাইকা কিংবা ত্রিনিদাদের পক্ষে মাত্র দশটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৩১-৩২ মৌসুমে লর্ড টেনিসন একাদশের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হয়েছিলেন। নিজস্ব তৃতীয় প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ২৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে জর্জ হ্যাডলি’র সাথে ষষ্ঠ উইকেটে নিরবিচ্ছিন্ন ৪৮৭ রান তুলেন। অদ্যাবধি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় ষষ্ঠ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড হিসেবে টিকে আছে স্ব-মহিমায়। ৭ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে জ্যামাইকার মন্টেগো বে এলাকায় ৭০ বছর ১৫৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    আরপি সিং

    ৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে উত্তরপ্রদেশের রে বারেলি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে পাদপ্রদীপে চলে আসেন। ঐ প্রতিযোগিতায় ৮ উইকেট দখল করেছিলেন তিনি।…

  • | |

    কুইন্টন ডি কক

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯২ তারিখে গটেংয়ের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজস্ব ২১তম জন্মদিনের পূর্বেই অনেক ক্রিকেটারের তুলনায় খেলোয়াড়ী জীবনে অনেকগুলো অর্জনের সাথে নিজেকে জড়িয়েছেন। শুধুমাত্র স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান করে দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ…

  • | | |

    জ্যাক ডারস্টন

    ১১ জুলাই, ১৮৯৩ তারিখে বেডফোর্ডশায়ারের ক্লপহিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘লং জ্যাক’ ডাকনামে ভূষিত জ্যাক ডারস্টন ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। দীর্ঘ উচ্চতার কারণে খেলোয়াড়ী জীবনের…

  • |

    ফিওন হ্যান্ড

    ১ জুলাই, ১৯৯৮ তারিখে ডাবলিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আর্ডজিলান কমিউনিটি কলেজে অধ্যয়নের পর টানটনের কুইন্স কলেজে পড়াশুনো করেন। ২০১৯ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর আইরিশ ক্রিকেটে লিনস্টার লাইটনিংয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৭…

  • |

    গ্লেন ম্যাকগ্রা

    ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের ডাব্বো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কেভিন ম্যাকগ্রা ও বেভার্লি ম্যাকগ্রা দম্পতির সন্তান। ডাব্বোয় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পরিবার ন্যারোমাইনে চলে যায়। সেখানে তিনি তাঁর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী…

  • | | | | |

    শ্রীনিবাসরাঘবন বেঙ্কটরাঘবন

    ২১ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক, রেফারি ও আম্পায়ার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘বেঙ্কট’ ডাকনামে পরিচিতি পান। ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম থেকে ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয়…