১৪ জানুয়ারি, ১৯০১ তারিখে জ্যামাইকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুমেই প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। দুইটিমাত্র খেলা নিয়ে তাঁর প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন গড়ে উঠেছিল। জ্যামাইকার পক্ষে একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের পরপরই তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ঠাঁই দেয়া হয়। এমসিসি’র বিপক্ষে খেলায় ২৫২ রান খরচায় ৯ উইকেট দখল করেছিলেন।
১৯৩০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। তুলনামূলক দূর্বল খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া ফ্রেডি ক্যালথর্পের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের বিপক্ষে অংশ নেন। ৩ এপ্রিল, ১৯৩০ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। চার্লস পাসাইলাইগু, ইভান ব্যারো ও অস্কার ডা কস্তা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে ১৮৯ রান খরচায় একমাত্র উইকেটের সন্ধান পান। খেলায় তিনি ১/১৩৯ ও ০/৫০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে শেষ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।
এরপর আর তাঁকে কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিতে দেখা যায়নি। তবে, ত্রিশ বছরের অধিক সময় জুড়ে রেলওয়েজ ক্রিকেট ক্লাবের তারকা খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিতেন।
জন্মসনদে তাঁকে ‘জর্জ গ্ল্যাডস্টোন মারাইস’ নামে পরিচিতি ঘটানো হয়। ১৯ মে, ১৯৭৮ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে ৭৭ বছর ১২৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
