| |

আকিব জাভেদ

৫ আগস্ট, ১৯৭২ তারিখে পাঞ্জাবের শেখুপুরায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

লাহোরভিত্তিক ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। অবমূল্যায়িত ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম পেস বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। প্রচলিত ধাঁচে অবলম্বনে ছন্দোবদ্ধ দৌঁড়ে রিভার্স-সুইং প্রদানে পারঙ্গমতা দেখিয়েছেন ও উভয় দিক দিয়েই সুইং করাতে পারতেন। দূরন্ত বোলিংকল্পে বেশ দূরত্ব নিয়ে উচ্চ ভঙ্গীমা প্রদর্শনে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। গতিদানব হিসেবে ব্যাটসম্যানদের সমীহের পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন। সীমিত-ওভারের খেলায় দলের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হন।

১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ২০০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে অ্যালাইড ব্যাংক, ইসলামাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, লাহোর ডিভিশন, পাকিস্তান অটোমোবাইলস কর্পোরেশন ও শেখুপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৮৮ থেকে ১৯৯৮ সময়কাল পর্যন্ত পাকিস্তান দলের পক্ষে সর্বমোট ২২ টেস্ট ও ১৬৩টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। প্রচলিত রয়েছে যে, ওয়াকার ইউনুসের পূর্বে ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হবার ফলে দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটারের মর্যাদা পেয়েছেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তিনি প্রথমবারের মতো অংশ নেন। তবে, দলীয় অধিনায়কের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন স্বত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটির একটি পরিত্যক্ত হলে অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

ইমরান খানের অবসর গ্রহণের পর ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুসের সাথে অবিস্মরণীয় জুটি গড়ে বিশাল সফলতার স্বাক্ষর রাখতে শুরু করলে, দলের তৃতীয় সিমারের দায়িত্ব পালন করেই তাঁকে খুশী থাকতে হয়েছে। খেলোয়াড়ী জীবনের অধিকাংশ সময়ই ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনুসের ন্যায় কিংবদন্তীতুল্য বোলারদ্বয়ের দাপটে ম্লান হয়ে পড়তেন।

সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে পাকিস্তানের সদস্যরূপে বিশাল সফলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের অংশগ্রহণে ১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বেনসন এন্ড হেজেস ত্রি-দেশীয় সিরিজে প্রথমবারের মতো ওডিআই অংশ নেন। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। আট খেলা থেকে ১০ উইকেট নিয়ে দূর্দান্ত সূচনা করেন।

১৯৯০-৯১ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নেন। ঐ মার্টিন ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ১০ অক্টোবর, ১৯৯০ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১/৩৭ ও ২/৪৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, দলের একমাত্র ইনিংসে তাঁকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে হয়নি। শোয়েব মোহাম্মদের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৪৩ রানে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

অক্টোবর, ১৯৯১ সালে শারজায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হন। উইলস ট্রফির চূড়ান্ত খেলায় হ্যাট্রিক সহযোগে সেরা ওডিআই বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। রবি শাস্ত্রী, মোহাম্মদ আজহারউদ্দীনশচীন তেন্ডুলকরকে উপর্যুপরী বিদেয় করে সর্বকনিষ্ঠ হ্যাট্রিকধারী হন। এ পর্যায়ে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর ৮১ দিন। ঐ খেলায় ৭/৩৭ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে ভারতকে ১৯০ রানে গুটিয়ে দেন। ২০ বছর বয়সেই তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা লাভ করেছিলেন। এছাড়াও পরিসংখ্যানগতভাবে ১২ বছর বয়সে ১৯৮৪ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়েছিল।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী পাকিস্তান দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বাক্ষর রাখেন। আঘাতে জর্জড়িত ওয়াকার ইউনুসের পরিবর্তে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ সুচারূরূপে পরিচালনা করেছিলেন। টম মুডি, ডেভিড বুন ও ইয়ান হিলিকে বিদেয় করে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮-১-২৩-৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১০ খেলায় অংশ নিয়ে ওভারপ্রতি ৩.৮৬ গড়ে ১১ উইকেট দখল করেছিলেন। এরপর, সেমি-ফাইনালেও ভালো খেলেন। চূড়ান্ত খেলায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান খরচ করেছিলেন। নীল ফেয়ারব্রাদার ও অ্যালেক স্টুয়ার্টের উইকেট নিয়ে দলের ২২ রানের বিজয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন। বিশ্বকাপের পর পাঁচ-টেস্ট ও ওডিআই সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ড গমন করেন।

বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। তন্মধ্যে, ইংল্যান্ডের ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান ডেভন ম্যালকমকে শর্ট পিচ বোলিং করার পর আম্পায়ার রয় পালমারের কাছ থেকে ‘সুয়েটার নেয়ার ঘটনায়’ দূর্ব্যবহারের সাথে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯২ সালে ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টের চতুর্থ সান্ধ্যকালীন অধিবেশনে এ ধরনের বোলিংয়ে হুশিয়ারী প্রদান শেষে শার্টে দূর্গন্ধ থাকায় তাচ্ছিল্য সহকারে ফেরৎ দিলে অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদের সাথে ক্ষাণিকটা বাদানুবাদে লিপ্ত হন। পরবর্তীতে, আকিব জাভেদের ম্যাচ ফির অর্ধেক জরিমানা করা হয়েছিল। জাভেদ মিয়াঁদাদ তাঁর ‘কাটিং এজ’ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ‘আকিব সঠিক অবস্থানে ছিলেন ও আম্পায়ার পালমার তাঁর সাথে অসদাচরণ করেছেন।’

১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে সেলিম মালিকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ১৯ জানুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন। খেলায় তিনি ৩/১০২ ও ২/৮২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ফ্যানি ডি ভিলিয়ার্সের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২৪ রানে জয় পায়।

টেস্টে অংশ নিয়ে খুব কমই সফল হয়েছিলেন। তবে, ওডিআইয়ে ৩১.৪৩ গড়ে ১৮২ উইকেট দখল করেছেন। ওভারপ্রতি ৪.২৮ রান খরচ করেছেন। দলে সর্বদাই আসা-যাবার পালায় অবস্থান করতেন। একদিনের খেলায় যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিলেন। খেলায় চারবার পাঁচ-উইকেটের সন্ধান পেয়েছেন। তন্মধ্যে তিনবারই ভারতের বিপক্ষে করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের বিপক্ষেই অধিক সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৯৫ সালে শারজায় আরও একবার ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে পাঁচ-উইকেট পেয়েছিলেন। ৩৯টি ওডিআই থেকে ২৪.৬৪ গড়ে ৫৪ উইকেট দখল করেছেন। গড়ের দিক দিয়ে তাঁর স্বাভাবিক ওডিআই গড়ের চেয়ে ৬.৭৯ গড় কমে এ সফলতা পান। এছাড়াও, ওডিআইয়ে প্রাপ্ত ছয়টি ম্যান অব দ্য ম্যাচের চারটিই উল্লিখিত দলটির বিপক্ষে পেয়েছিলেন।

১৯৯৫ সালের শেষদিকে ফয়সালাবাদে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্টে প্রথমবারের মতো পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছিলেন। তবে, সাদা-বলের খেলায় অংশ নেয়ার জন্যে তাঁকে আরও তিন বছর অপেক্ষা করতে হয়। এ পর্যায়ে অবশ্য নিয়মিতভাবে ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। স্পষ্টতঃই ধারাবাহিকতার অভাব থাকা সত্ত্বেও ১৯৯৮ সালে পেশাওয়ারে অনুষ্ঠিত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৭ নভেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে পেশাওয়ারে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ১ ও ০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ০/৫২ ও ০/৩৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, নীল জনসনের অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২৬ বছর বয়সে পাকিস্তানী ক্রিকেটে খেলা গড়াপেটা বিতর্কের কবলে পড়লে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে ও সমাপ্তি ঘটে। পরবর্তীতে, তাঁকে নির্দোষ হিসেবে দেখানো হয়। ৩০ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর, কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ২০০৪ সালে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী দলকে পরিচালিত করেন। পাকিস্তান এনসিএ’র প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও, আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের উত্থানে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করেছিলেন। ২০১৫ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন। এরপূর্বে পাকিস্তান দলের প্রধান কোচ ওয়াকার ইউনুস ও ব্যবস্থাপক ইন্তিখাব আলমের অধীনে বোলিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন।

পাকিস্তানী কম্পিউটার হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান ‘দ্য কম্পিউটার হাউজের’ সাথে জড়িত রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। গায়ক আদিল বার্কির ভগ্নী ফারজানা বার্কির সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। আকবা নাম্নী এক কন্যা রয়েছে।

Similar Posts

  • |

    জিওফ গ্রিফিন

    ১২ জুন, ১৯৩৯ তারিখে নাটালের গ্রেটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ডারবান হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী ছিলেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র অবস্থায় আঘাত পেলে কনুঁই সঠিকভাবে বাঁকাতে পারতেন না। এক…

  • |

    জেফ ডুজন

    ২৮ মে, ১৯৫৬ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ফাস্ট বোলারদের বল অসাধারণ ভঙ্গীমায় গ্লাভস বন্দী করতেন। কখনোবা লেগ-সাইডের বলগুলো একহাতে আটকিয়েছেন। ব্যাটসম্যান হিসেবেও সফল ছিলেন। দলের সঙ্কটময় মুহূর্তে ত্রাণকর্তা হিসেবে…

  • | | |

    বিল লরি

    ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে ভিক্টোরিয়ার থর্নবারি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। খেলাধূলাপ্রিয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। ১৯৪৯ সালে প্রেস্টন টেকে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নকালীন বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের পরিচিতি তিনি তুলে ধরেছিলেন। ১১ বছর বয়সে বিজ্ঞান…

  • | | |

    জ্যাকি হেনড্রিক্স

    ২১ ডিসেম্বর, ১৯৩৩ তারিখে জ্যামাইকার সেন্ট অ্যান্ড্রু এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, রেফারি ও প্রশাসক। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিংকর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯৬০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘকায় গড়ন ও আমুদে প্রকৃতির অধিকারী ছিলেন। দারুণ উইকেট-রক্ষক হিসেবে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। তবে, খেলোয়াড়ী জীবনের অধিকাংশ সময়ই তাঁকে…

  • | | |

    অংশুমান গায়কোয়াড়

    ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৫২ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে স্ট্রোকপ্লে ও দৃষ্টিনন্দনের মধ্যেই তিনি সীমাবদ্ধ ছিলেন। দূরন্তগতিপণার পেস আক্রমণের বিপক্ষে দারুণ খেলতেন। তিনি যে সর্বদাই রান সংগ্রহ পেতেন…

  • | |

    জোনাথন ক্যাম্পবেল

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে ম্যাশোনাল্যান্ডের হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। পিতা এডিআর ক্যাম্পবেল জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেস্ট ও কাকা ডিজেআর ক্যাম্পবেল প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর…